
গ্রামবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত ঘাগড়া গ্রামের আমির হোসেন (৩০) দৈনিক শুভ প্রতিদিন'কে বলেন, আমি এই জাগা কিনছি। কিনে মাটি পালাইয়া বাড়ি বানছি। এখন এই জাগা দিয়া পানি যাইবার লাগি দিলে আমার মাটি সব কাইটা যায় গা। এই কারণে আমি ইট দিয়া বান দিছি। তিনি শুভ প্রতিদিন'কে আরও বলেন, গ্রামের দানা মুরুব্বি ও স্থানীয় দুই চেয়ারম্যান ও মেম্বার কয়েকবার বিষয়টি সমাধানের জন্য বসা হইছে। তার পরেও সমাধান হচ্ছেনা। তবে কেন সমাধান হচ্ছেনা এ বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, এইখানের জমে থাকা পানি ফাইভ দিয়ে যাওয়ার জন্য ২০/২৫ হাজার টাকা লাগব, আমি কইছি ৫/৭ হাজার টাকা আমি দিমুনে বাকি টাকা তারা (গ্রামবাসী) দিতা পারতাছে না। এখন আমি কিতা করমু। আমি বান( বাধঁ) না দিলে আমার বাড়িঘরের মাডি( মাটি) সব যাইবগা। সাবেক বাদাঘাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন গতবছর সরেজমিনে এসে পানি নিষ্কাশনের জন্য বাধঁ ভেঙে দেয়ার পরেও আবার কেন বাধঁ দিলেন, উত্তরে তিনি( আমির হোসেন) বলেন, গ্রামের সব পানি আমার এখান দিয়ে গিয়ে আমার বাড়ির সব মাটি পানির সাথে যায়গা। তাই ইট দিয়া বান দিছি।
এ বিষয়ে জানতে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিনের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গ্রামবাসী পানি নিষ্কাশনের জন্য আমার কাছে একটি আবেদন নিয়ে আসছিল। আমি এর আগেও বাধঁ ভেঙে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিয়ে আসছিলাম। এখন যদি আবার ওই স্থানে বাধঁ দিয়ে থাকে তাহলে আমি সরেজমিনে দেখে অতিদ্রুতইওই গ্রামের জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য বাধঁ অপসারণ করে দিয়ে আসবো।
চেয়ারম্যান: জুয়েল খন্দকার
অফিসঃ ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ই-মেইলঃ songbadtv1@gmail.com
স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ টিভি