আমরা ছাত্র হত্যায় যেমন কষ্ট পাই, তেমনি আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যের করুণ মৃত্যুও আমাদের বিচলিত করে।
দেশের যে কোনো ধ্বংসযজ্ঞে আমরা মর্মাহত হই। তবে আহাম্মক শ্রেনীর মানুষ মৃত লাশের উপর দাঁড়িয়েও প্রাণ খুলে হাসতে পারে। কোনো বেদনা তাদের তাড়িত করে না।
একের পর এক হত্যাযজ্ঞের কষ্ট যন্ত্রণা থেকেই বলেছিলাম, লাশের দরকার হলে সাংবাদিকদের হত্যা করুন তবু শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ চাই।
এ আহ্বানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যাত্রাবাড়ী এলাকায় আমারই ভাতিজা সাংবাদিক হাসান মেহেদীকে গুলি করে লাশ বানালো পুলিশ। হাসান মেহেদী তার অসুস্থ শিশু কন্যাকে হাসপাতাল শয্যায় রেখেই পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য যাত্রাবাড়ীর সংঘর্ষস্থলে হাজির হয়েছিল।
ফ্লাইওভারের উপরে উঠে নিজের মোবাইল ক্যামেরায় পুলিশি অ্যাকশনের ভিডিও করছিল সে। নিচে নামতেই এক পুলিশ কর্তা হাসান মেহেদীর মোবাইল কেড়ে নিয়েছিল, ভিডিওগুলো ডিলেট করতে চেয়েছিল পাসওয়ার্ড। কিন্তু মেহেদী তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই গুলিবিদ্ধ হতে হয় তাকে, পরিনত হতে হয় লাশে।
এমন তুচ্ছতায় প্রাণ কেড়ে নেয়ার নজিরবিহীন ঘটনা কল্পনা করা যায় না, মেনে নেয়া যায় না...
চেয়ারম্যান: জুয়েল খন্দকার
অফিসঃ ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ই-মেইলঃ songbadtv1@gmail.com
স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ টিভি