• শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
কুমিল্লা সীমান্তে অবৈধ ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিস জব্দ কুমিল্লায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো সিলেটে তারেক রহমানের জনসভায় উৎসবমুখর পরিবেশে জমে উঠছে জনসমুদ্র সিইপিজেড এলাকায় জামায়াতে উদ্যোগে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে বিশাল গণমিছিল ও পথসভা ঘিওরে সাংবাদিকদের সাথে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় আগামীকাল শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ আসছেন ইসলামি আন্দোলনের আমীর মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পাবনার ভাঙ্গুড়া মমতাজ মোস্তফা আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণায় ৫ কর্মসূচি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্ধারণে গণভোটই সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যম: আলী রীয়াজ এবার ব্যালট ছিনতাই অসম্ভব: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

লাকসামে সাইমন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, মূল আসামিসহ আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক / / / ৯৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানার আলোচিত ও ক্লুলেস মো. শাহজাহান প্রকাশ সাইমন (১৭) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ৩ সেপ্টেম্বর লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারের ভেতরে খাটের ওপর সাইমনের মৃতদেহ সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। তার গলা কাটা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। মৃতদেহ থেকে পচা রক্ত ও পানি বের হচ্ছিল।
পরে সাইমনের পিতা আবদুল হান্নান বাদী হয়ে লাকসাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে কুমিল্লা পুলিশের একটি বিশেষ দল সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থেকে প্রধান আসামি আব্দুল ওয়াদুদ প্রকাশ মানিক (২৪) কে রবিবার ৮ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে মানিকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাইমনের অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং অপর আসামি মো. সানাউল্লাহ (২৪) কে লাকসাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে মানিক স্বীকার করে, সানাউল্লাহর সাথে সাইমনের পূর্বের একটি মাদক সেবন নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল এবং সাইমন সানাউল্লাহর মোবাইল নিয়ে যায়। এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে তারা সাইমনকে হত্যার পরিকল্পনা করে। হত্যাকাণ্ডের দিন তারা সাইমনকে লাকসাম হাসপাতালের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারে নিয়ে যায়, সেখানে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মানিক কাঠের লাঠি দিয়ে সাইমনের মাথায় আঘাত করে এবং সানাউল্লাহ ব্লেড দিয়ে তার গলা কাটে।

গ্রেফতার মানিক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category