• শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
কুমিল্লা সীমান্তে অবৈধ ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিস জব্দ কুমিল্লায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো সিলেটে তারেক রহমানের জনসভায় উৎসবমুখর পরিবেশে জমে উঠছে জনসমুদ্র সিইপিজেড এলাকায় জামায়াতে উদ্যোগে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে বিশাল গণমিছিল ও পথসভা ঘিওরে সাংবাদিকদের সাথে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় আগামীকাল শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ আসছেন ইসলামি আন্দোলনের আমীর মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পাবনার ভাঙ্গুড়া মমতাজ মোস্তফা আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণায় ৫ কর্মসূচি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্ধারণে গণভোটই সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যম: আলী রীয়াজ এবার ব্যালট ছিনতাই অসম্ভব: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজেদের ‘স্বার্থ অনুযায়ী’ নতুন গঙ্গা চুক্তি করতে চায় ভারত

অনলাইন ডেস্ক / / ৯০ Time View
Update : শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

আগামী বছর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের গঙ্গা নদীর পাণিবণ্টন বিষয়ক গঙ্গা চুক্তি শেষ হচ্ছে। এরপর নয়াদিল্লি বাংলাদেশের সঙ্গে নিজেদের ‘স্বার্থ অনুযায়ী’ নতুন চুক্তির ব্যাপারে ভাবছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইকোনোমিক টাইমস জানিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু নদ পানি চুক্তি বাতিলের পর বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান গঙ্গা চুক্তির একাধিক বিকল্প অথবা এতে সংযোজন-বিয়োজনের ব্যাপারে দিল্লি ভাবছে। গঙ্গার পানি বণ্টন বিষয়ক চুক্তিটির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হবে। ৩০ বছর আগে ১৯৯৬ সালে এই চুক্তিটি কার্যকর হয়েছিল। এখন নতুন করে চুক্তির বিষয়টি সামনে আসছে, যেখানে পারস্পরিক সমঝোতার প্রয়োজন। ভারত সম্পূর্ণ নতুন একটি চুক্তি নিয়ে ভাবছে, যেখানে তাদের ‘বর্তমান উন্নয়নমূলক বিষয়াবলীর’ বিষয়টি থাকবে।

গঙ্গা পানি চুক্তি কী?
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ভারতের সঙ্গে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টনের একটি কাঠামো তৈরি করেছিলেন। এতে বলা হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গের ফারাক্কা বাঁধে, প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে। মূলত ফারাক্কায় পানি বণ্টন নিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিল, সেটি নিরসনে এ চুক্তিটি হয়।

ভারত ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ সচল করে। এই বাঁধের মাধ্যমে গঙ্গা থেকে পানি হুগলি নদীতে নিয়ে যাওয়া হয় যেন কলকাতা বন্দর নৌ চলাচলের উপযোগী থাকে। গঙ্গা চুক্তির মাধ্যমে উজানের দেশ ভারত ভাটির দেশ বাংলাদেশকে কথা দেয় যে তারা ফারাক্কা বাঁধে পানি সরবরাহ ঠিক রাখবে। এই বাঁধটি তৈরি করা হয়েছে বাঘিরথি নদীতে, যা বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ভারত কলকাতা বন্দর ট্রাস্টের জন্য গঙ্গার ৪০ হাজার কিউসেক পানি একটি খালের মধ্যে নিয়ে যায়।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১১ মার্চ থেকে ১১ মে পর্যন্ত ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই প্রতি ১০ দিনের জন্য ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পাবে। কিন্তু ভারত এখন নতুন চুক্তি করে এই সময়টায় আরও ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক বেশি পানি চায়। তাদের দাবি, এখন যেহেতু তাদের কৃষির প্রসার ঘটেছে, তাই আরও বেশি পানির প্রয়োজন। তারা এখন তাদের সেচ, বন্দর রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আগের চেয়ে বেশি পানি চেয়ে নতুন চুক্তি সাজাচ্ছে। ভারতের কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এক্ষেত্রে একমত পোষণ করেছে বলে জানিয়েছে ইকোনোমিক টাইমস। তাদের মতে, এখন তাদের যে পরিমাণ পানির প্রয়োজন, সেটি বর্তমান গঙ্গা চুক্তি মেটাতে পারছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category