বৈঠকে দুই নেতা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে রয়েছে- ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন, দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, রাজস্ব ও ব্যাংকিং খাতে সংস্কার, চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংযোগ এবং এশিয়াজুড়ে তরুণদের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা।
এ সময় তারা বিদেশে পাচার হওয়া বিপুল অঙ্কের চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধার নিয়েও আলোচনা করেন।
অজয় বাঙ্গা গত ১৪ মাসে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, তিনি একটি সংকটময় সময় দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেছেন।
জবাবে অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বব্যাংকের অবিচল সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এই সময়কে দেশের ইতিহাসের অন্যতম সংকটময় সময় হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সহায়তা চেয়ে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি। আসুন আমরা একসঙ্গে এটি উন্নত করি।তিনি আরও বলেন, নেপাল ও ভুটানসহ ভারতের সাতটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়নের সরাসরি সুফল পাবে, যা লাখ লাখ নতুন উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।
ব্যাংকিং ও রাজস্ব খাতে দৃঢ় সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে অজয় বাঙ্গা বলেন, টেকসই এবং উচ্চ প্রবৃদ্ধি-নির্ভর অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তুলতে এই সংস্কারগুলো অত্যাবশ্যক।বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রধান উপদেষ্টার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ড. ফৌজুল কবির খান, বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ।