প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ১৮, ২০২৬, ৫:৪৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ২৪, ২০২৫, ৩:৩৫ পি.এম
ই-ভিসা নিয়ে ঢাকাস্থ রয়েল থাই দূতাবাসের সতর্কবার্তা
বাংলাদেশের কয়েকটি এজেন্সি ২–৩ ঘণ্টার মধ্যে থাই ই-ভিসা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দিচ্ছে—যা মোটেই সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ঢাকাস্থ রয়েল থাই দূতাবাস। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) এক বার্তায় তথ্যটি জানানো হয়।
দূতাবাস জানায়, তাদের নজরে এসেছে যে কিছু এজেন্সি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে থাই ভিসা মাত্র ২ ঘণ্টায় অনুমোদনের নিশ্চয়তা দিচ্ছে। এ বিষয়ে থাই দূতাবাসের ব্যাখ্যা হলো—
১. কোনো এজেন্সি থাই ই-ভিসার নিশ্চয়তা দিতে পারে না।
২. থাই ই-ভিসার আবেদন নিয়ম অনুযায়ী কঠোরভাবে পর্যালোচনা করা হয়।
৩. আবেদনকারীদের বিভ্রান্তিকর পরিষেবা থেকে দূরে থাকতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
এ দিকে যুক্তরাজ্যের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন।
গত মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দেয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়, যুক্তরাজ্যের ভিসার জন্য আবেদন করার সময় জাল কাগজপত্র জমা দিলে ১০ বছরের ভিসা নিষেধাজ্ঞা হতে পারে। তাই সবসময় বৈধ কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো ঝুঁকি না নিতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, যুক্তরাজ্যের কোনো ভিসা বা ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথোরাইজেশন (ইটিএ) কোনোভাবেই গ্যারান্টিযুক্ত নয়। হাইকমিশনের সতর্কবার্তায় বলা হয়, ভিসা নিশ্চিত করে দেওয়ার কথা বলে ফোন, ই-মেইল বা টেক্সট বার্তার মাধ্যমে যারা যোগাযোগ করে, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। কেউ যদি দাবি করে যে তারা যুক্তরাজ্যের ভিসা নিশ্চিত করে দিতে পারবে, তবে তা নিঃসন্দেহে প্রতারণা।
হাইকমিশন আরও জানায়, ভিসা আবেদন ও মূল্যায়ন সম্পূর্ণ যুক্তরাজ্যের সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ বিষয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিশেষ প্রভাব বা নিশ্চয়তা দেওয়ার ক্ষমতা নেই।
উল্লেখ্য, নাগরিকদের ভিসাসংক্রান্ত অফিসিয়াল নির্দেশিকা ও তথ্য যাচাইয়ের জন্য ব্রিটিশ সরকারের ওয়েবসাইট থেকে তথ্য গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চেয়ারম্যান: জুয়েল খন্দকার
অফিসঃ ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ই-মেইলঃ songbadtv1@gmail.com
স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ টিভি