ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) মামলাটি দায়ের করা হয় এবং পরে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুলসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যার পরিকল্পনা ও অর্থের জোগানদাতাসহ পৃষ্ঠপোষকতাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে তিনজনকে শনাক্ত করা গেছে। মোটরসাইকেলের পেছনে বসে গুলি চালান ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল, আর চালক ছিলেন আলমগীর শেখ। ঘটনার আগে হাদিকে অনুসরণকালে এই দুইজনের সঙ্গে আরও একজন ছিলেন, যার নাম রুবেল। তিনি আদাবর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য।
মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশীদ জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত পাচ্ছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসা দিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। সোমবার (১৫ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ওঠানো হয় সাদিকে। সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে।
এর আগে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) হাদিকে নেওয়ার জন্য বেলা ১১টা ২২ মিনিটে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দুপুর ১টা ১০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় হাদিকে বহন করা অ্যাম্বুলেন্সটি।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়।