উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ, নীতি ও আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বৈঠকে মোট ১৩টি প্রধান এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ১১টি এজেন্ডা চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পেয়েছে এবং দুটি অধ্যাদেশের খসড়া আরও পর্যালোচনার জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে।
বৈঠকে যেসব অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো-
বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬;
জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬;
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬;
এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট অধ্যাদেশ, ২০২৬।
এ ছাড়া তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়াও নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স (এমএলএ) চুক্তির খসড়া, বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (বিজিইপিএ) স্বাক্ষরের প্রস্তাব এবং জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা, ২০২৬ অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রেস সচিব আরও জানান, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) নীতি, ২০২৬-এর খসড়া অধিকতর পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।