• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
মুরাদনগরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার “সিএমপি কমিশনারের ব্রিফিং প্যারেড ” অবাধ-সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ হাদি হত্যার বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে: সাবেক প্রতিমন্ত্রী টুকু নির্বাচনী মিছিলে গিয়ে বিএনপি-জামায়াতের ২ কর্মীর মৃত্যু সিরাজগঞ্জে শেষ পর্যায়ে চলছে নির্বাচনী প্রচার ভোটগ্রহণের দায়িত্বে জামায়াতের ৫ নেতা! বন্দর -ইপিজেড পতেঙ্গায় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে বর্ণাঢ্য গণ মিছিল ও পথসভা স্বতন্ত্র প্রার্থী টিপুর জনসভায় মানুষের ঢল, কান্না জড়িত কন্ঠে ভোটারদের কাছে ভোট ভিক্ষা চান সাভারে সিআরপির প্রতিবন্ধীদের ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা ও মিছিল বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন আরও এক প্রার্থী

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নীতিতে পাঁচ বড় পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক / / ২৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এক বছরের মধ্যেই অভিবাসন নীতি বা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। এসব পরিবর্তনের ফলে শুধু অবৈধ অভিবাসন নয়, বৈধ অভিবাসনও আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে এসে তিনি বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থাও কঠোর নিয়ন্ত্রণে আনছেন। নিচে নতুন অভিবাসন ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি পরিবর্তন তুলে ধরা হলো—

যাচাই-বাছাই আরও কঠিন হবে

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (ইউএসসিআইএস) এখন আবেদনকারীদের আরও কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই করছে। নাগরিকত্ব পরীক্ষাও কঠিন করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভালো নৈতিক চরিত্র, সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং ইতিবাচক অবদানের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে।

জালিয়াতি ধরতে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে অভিবাসন পুলিশ ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তার কার্যক্রমও জোরদার করা হচ্ছে।

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় আটকে যাচ্ছে আবেদন 

ট্রাম্প প্রশাসন গত এক বছরে কয়েক ডজন দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যেসব দেশের ওপর নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে, সেসব দেশের নাগরিকদের আশ্রয় ও অভিবাসন আবেদন কার্যত স্থগিত হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা এসব দেশের নাগরিকরাও এখন ভিসা নবায়ন বা স্ট্যাটাস পরিবর্তনের সুযোগ পাচ্ছেন না। এতে বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়ায় থাকা প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে ধারণা।

কমছে ওয়ার্ক পারমিট তথা কাজের ভিসার মেয়াদ

বিদেশি কর্মীদের জন্য কাজের অনুমতির মেয়াদ কমিয়ে ৫ বছর থেকে ১৮ মাস করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এতে জালিয়াতি কমবে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি চিহ্নিত করা সহজ হবে। তবে এতে বৈধভাবে কাজ করা অভিবাসীদের অনিশ্চয়তা বাড়বে।

সরকারি সহায়তায় নেতিবাচক প্রভাব

নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নিয়ম অনুযায়ী, কোনো অভিবাসী ভবিষ্যতে সরকারি সহায়তা নিতে পারেন কি না, তা আবেদন মূল্যায়নে নেতিবাচক হিসেবে ধরা হবে। যদিও অবৈধ অভিবাসীরা সরাসরি এসব সুবিধা পান না, তবে অনেক বৈধ অভিবাসী বা মিশ্র পরিবারের সদস্যরা এর আওতায় পড়বেন।

লাখো অভিবাসীর ‘লিগ্যাল স্ট্যাটাল’ বাতিল

ট্রাম্প প্রশাসন ১১টি দেশের নাগরিকদের জন্য টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস (টিপিএস) বাতিল করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ার প্রায় ৭৬ হাজার মানুষসহ মোট প্রায় ১০ লাখ মানুষ তাদের ‘লিগ্যাল স্ট্যাটাস’ তথা আইনি সুবিধা হারিয়েছেন।

এছাড়া কিউবান, হাইতিয়ান, নিকারাগুয়ান ও ভেনেজুয়েলানদের জন্য থাকা বিশেষ প্যারোল কর্মসূচিও বন্ধ করা হয়েছে। ফলে এসব মানুষ এখন বহিষ্কারের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

হোয়াইট হাউস বলছে, এসব সিদ্ধান্ত মার্কিন জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য নেয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমবাজারে বৈধ কর্মী নিয়োগের সুযোগ রাখা হবে।

তথ্যসূত্র: অ্যাক্সিওস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category