ভালোবাসার সম্পর্ক মেনে নেয়নি পরিবার। তাই পরিবারের অমতেই বিয়ে করেছিলেন বাংলাদেশের দুই তরুণ-তরুণী। কিন্তু বিয়ের এক মাসের মধ্যেই ঘটল অপ্রত্যাশিত ঘটনা। স্ত্রীকে ফিরে পেতে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বাংলাদেশের এক যুবক। বাংলাদেশি ওই যুবকের নাম অরিজিৎ সরকার। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। তার দাবি, বিয়ের কিছুদিন পরই স্ত্রীর পরিবার জোর করে স্ত্রী মমি সাহাকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠিয়ে দেয় এবং কলকাতার কাছে বিরাটি এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে আটকে রাখা হয়।
অরিজিৎ জানান, তিনি ও তার স্ত্রী ঢাকার নরসিংদী সদরের বাসিন্দা। প্রতিবেশী হওয়ার কারণে দুজনের মধ্যে প্রায় দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মমির পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পরিবারের অমতেই বিয়ে করেন তারা। তার অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পরই মমির পরিবার তাকে জোর করে আগরতলা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে নিয়ে আসে। পরে কলকাতার কাছে বিরাটি এলাকায় পলি সাহা ও উত্তম সাহা নামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাকে আটকে রাখা হয়।
অরিজিতের দাবি, ওই দুই ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলেও অবৈধভাবে ভারতের নাগরিকত্ব নিয়ে কলকাতায় বসবাস করছেন। উত্তম সাহা একজন ব্যবসায়ী এবং তিনি বাংলাদেশ ও ভারতে যাতায়াত করে থাকেন।
অরিজিতের দাবি, পরে তিনি কোনোভাবে সেখান থেকে প্রাণে বেঁচে বেরিয়ে আসেন। এরপর তিনি স্থানীয় নিমতা থানায় অভিযোগ করতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।
পরে আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের সহায়তায় নিমতা থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এবং এফআইআরও দায়ের করা হয়নি বলে অভিযোগ।
এই পরিস্থিতিতে স্ত্রীকে উদ্ধারের দাবিতে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন অরিজিৎ সরকার। আগামী ১৭ মার্চ মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
চেয়ারম্যান: জুয়েল খন্দকার
অফিসঃ ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ই-মেইলঃ songbadtv1@gmail.com
স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ টিভি