প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১২:৩৭ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ১৭, ২০২৬, ১২:১৮ এ.এম
রোজা রাখতে অক্ষম ব্যক্তির ফিদিয়া

রোজা রাখতে অক্ষম ব্যক্তি রোজার পরিবর্তে ফিদিয়া আদায় করবেন। (কামুসুল ফিকহ : ৪/৪৫০)
রোজার ফিদিয়া হচ্ছে, একজন মিসকিনকে দুবেলা ভরপেট খাবার খাওয়ানো। মালেকি,শাফেয়ি ও হাম্বলি মাজহাবের অধিকাংশ আলেমের মতে, খাদ্যদানের মাধ্যমে রোজার ফিদিয়া আদায় করবে। তবে হানাফি মাজহাব মতে, খাবারের পরিবর্তে প্রতি রোজার জন্য সদকাতুল ফিতর পরিমাণ দ্রব্য বা মূল্য দিলেও ফিদিয়া আদায় হয়ে যাবে।
সদকাতুল ফিতিরের পরিমাপ হলো, ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম গম, আটা বা তার মূল্য অথবা ৩ কেজি ২৭০ গ্রাম জব, খেজুর, পনির ও কিশমিশ বা তার মূল্য গরিবকে দান করা। (রদ্দুল মুহতার : ৫/১৪৪)
মাসআলা : ফিদিয়া আদায় করার পর সুস্থ হলে ভাঙা রোজাগুলো কাজা করতে হবে। আগের ফিদিয়া প্রদান যথষ্টে হবে না। তবে ফিদিয়া আদায়ের কারণে তার সওয়াব আমলনামায় থেকে যাবে। (রদ্দুল মুহতার : ৩/৪৬৫)
মাসআলা : ফিদিয়া আদায় করার মতো কোনো সম্পদ না থাকলে তাওবা-ইসি্তগফার করবে। সেই সঙ্গে এই নিয়ত রাখা যে আল্লাহ তাআলা সচ্ছলতা দান করলে ফিদিয়া আদায় করে দেব।
অসচ্ছল অবস্থায় মারা গেলে আশা করা যায়, আল্লাহ তাআলা তাকে ক্ষমা করে দেবেন। কারণ, সাধ্যের বাইরে বান্দার ওপর আল্লাহ কোনো কিছু চাপিয়ে দেন না। (আহসানুল ফাতাওয়া : ৪/৪৪৯, আপকে মাসায়েল : ৪/৬০২)
প্রশ্ন : রমজান মাসের ফিদিয়ার টাকা যদি রমজান আসার আগেই অগ্রিম দিয়ে দেয়, তাহলে কি ঠিক হবে?
উত্তর : রমজান শুরু হওয়ার আগে ফিদিয়া দেওয়া ঠিক নয়। রমজান শুরু হওয়ার পর দেবে। রমজান মাস শুরু হওয়ার পর বাকি সামনের দিনের ফিদিয়াও একসঙ্গে দিতে পারবে। এর বিপরীতে সদকায়ে ফিতর রমজান মাস আসার আগেও দেওয়া বৈধ; বরং কয়েক বত্সরের সামনের ফিতরও দিতে পারবে। (আহসানুল ফাতাওয়া: ৪/৪৩৬)
মাসআলা : জাকাতযোগ্য খাতে ফিদিয়া দিতে হবে। (রাদ্দুল মুহতার ২/৭৯, ৮৫৪)
মাসআলা : ফিদিয়ার অর্থ কোনো এতিমখানায় প্রদান করা যাবে। নাবালেগ নিঃস্ব এতিমের পেছনে ব্যয় করার জন্য তার অভিভাবককে অর্থ দেওয়া জায়েজ আছে। (ফাতাওয়ায়ে দারুল উলূম : ৬/২৫৮; রাদ্দুল মুহতার ২/85)
চেয়ারম্যান: জুয়েল খন্দকার
অফিসঃ ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ই-মেইলঃ songbadtv1@gmail.com
স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ টিভি