প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ১৬, ২০২৬, ৫:২৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৫, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
তাইওয়ান দখলে নেওয়ার চেষ্টা করলে ভয়াবহ ভুল করবে চীন: রুবিও

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ওয়াশিংটনের তাইওয়ান নীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। চীন যদি তাইওয়ানের বর্তমান স্থিতাবস্থা ভাঙার চেষ্টা করে এবং নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে তা হবে একটি ভয়াবহ ভুল। শুক্রবার (১৫ মে) এনসিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে চীন সফরে ছিলেন।
এই সফরের আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ইরান যুদ্ধ, বাণিজ্য বিরোধ, তাইওয়ান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিযোগিতা।
সফরের সময় চীনের নেতা শি জিনপিং তাইওয়ানকে “চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়” হিসেবে উল্লেখ করেন এবং সতর্ক করে বলেন, যদি দুই দেশ এটি সঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারে, তবে তারা “সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বা এমনকি সরাসরি সংঘর্ষেও যেতে পারে।”
রুবিও জোর দিয়ে বলেন, “তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি আজও অপরিবর্তিত রয়েছে এবং আজকের বৈঠকের পরেও একই আছে। আমরা জানি তাদের অবস্থান কী, এবং আমি মনে করি তারাও জানে আমাদের অবস্থান কী।”
চীন যদি সামরিক শক্তি ব্যবহার করে তাইওয়ান দখল করার চেষ্টা করে, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটা হবে একটি ভয়াবহ ভুল—বলপ্রয়োগ বা এ ধরনের কোনো উপায়ে তা চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।” তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এর ফলে “বিশ্বজুড়ে এর ফলাফল ভোগ করতে হবে, শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়।”
একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন যে চীন “আদর্শ পরিস্থিতিতে ভোট বা গণভোটের মাধ্যমে স্বেচ্ছায়, শান্তিপূর্ণভাবে তাইওয়ানকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করতে” চায়।
রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান ইস্যুতে “স্ট্র্যাটেজিক অ্যামবিগুইটি” বা কৌশলগত অস্পষ্টতার নীতি অনুসরণ করে—যার মানে হলো, যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করে বলে না যে তারা সামরিকভাবে তাইওয়ানকে রক্ষা করবে কি না। তিনি জানান, এই নীতি বহু প্রশাসন ধরে চলে আসছে এবং এখনো অব্যাহত আছে।
তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে তিনি বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্র-চীন আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল না এবং ভবিষ্যতে অস্ত্র সরবরাহের সিদ্ধান্ত অনেকাংশে কংগ্রেসের ওপর নির্ভর করে।
চীন তাইওয়ানকে তাদের সার্বভৌম ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে—এই অবস্থান রাশিয়াসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ আংশিকভাবে স্বীকার করে। যুক্তরাষ্ট্র “এক চীন নীতি” স্বীকার করলেও তাইওয়ানের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রাখে। ২০২২ সালে শি জিনপিং বলেন, বেইজিং শান্তিপূর্ণ পুনর্মিলন চায়, তবে প্রয়োজনে শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করেনি।
সূত্র: আরটি
চেয়ারম্যান: জুয়েল খন্দকার
অফিসঃ ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ই-মেইলঃ songbadtv1@gmail.com
স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ টিভি