প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ২৫, ২০২৬, ১১:০৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২৮, ২০২৬, ৯:১২ পি.এম
কানাডায় প্রবাসীদের ঈদ

ঈদ এলে প্রায় সবারই স্বপ্ন থাকে বাড়ি যাবে; ব্যতিক্রম শুধু প্রবাসীদের ক্ষেত্রে। ইচ্ছে থাকলেও বাস-ট্রেনের টিকিট কেটে দেশের বাড়িতে যেতে পারেন না। দেখা হয় না মমতাময়ী মা-বাবা পরিবার আর স্বজনদের সঙ্গে। তাই ঈদের ‘প্রকৃত আনন্দ’ তাদের কাছে ধরা দেয় না। অন্যান্য বারের মতো এবারও কানাডা প্রবাসীরা ঈদ উদযাপন করেছেন পরবাসে।
কানাডায় নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি দেওয়া বাধ্যতামূলক। কোরবানি দিতে কেউ কেউ ছুটে যান শহরের অদূরের ফার্মগুলোতে। কারো অর্ডার থাকে গ্রোসারি দোকানে, যেখানে কোরবানির মাংস পেতে তিন চার দিন সময় লেগে যায়। ঈদের দিন কাজে যেতে হয় অনেককে। তারপরও খুব ভোরে নতুন পোশাক পরে ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসলমানরা।

এবার ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে প্রবাসীদের সঙ্গে যোগ দেন আলবার্টার প্রিমিয়ার ডানিয়েল স্মিথ। ঈদ উপলক্ষ্যে একে অপরের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করেন প্রবাসীরা, শ্রদ্ধা ভালবাসা আর সহমর্মিতায় পরিণত হয় মিলনমেলা। মাতেন নানা গল্প-আড্ডায়। ঈদ উপলক্ষে নানা সুস্বাদু খাবারের আয়োজনও ছিল।
সাধারণত প্রবাস থেকে দেশের আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে ফোনে আলাপচারিতায় ঈদের দিন পার করেন প্রবাসীরা। এই আলাপে কারো চোখ অশ্রুসিক্ত হয়। দেশে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে না পারার আক্ষেপও থাকে।
বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী সোহাগ হাসান বলেন, প্রবাস থেকে হাজার মাইল দূরে থাকলেও বাংলাদেশ আমাদের হৃদয়ে। আমরা শৈশবের সেই আনন্দময় ঈদকে খুব মিস করি।

প্রবাসী নাজনীন হক বলেন, এখানে প্রবাসীরাই আমাদের আপনজন হয়ে উঠেছে। আমরা একসঙ্গে সুখে দুঃখে মিলেমিশে ঈদ উদযাপন করলেও দেশ ও দেশের স্বজনদের খুব মিস করি।
চেয়ারম্যান: জুয়েল খন্দকার
অফিসঃ ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ই-মেইলঃ songbadtv1@gmail.com
স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ টিভি