নগরীর "বন্দর -ইপিজেড পতেঙ্গাস্থ"ডিএইচএমএস হোমিও চিকিৎসক কল্যাণ সোসাইটির সাথে ঔষধ প্রশাসন ( আগ্রাবাদ-চট্টগ্রাম) সহকারী পরিচালক মাখনুওন তাবাসসুমের সাথে ঔষধ ও কসমেটিক আইন-২০২৩ বিষয়ক মতবিনিময় সভা রোববার সকালে ইপিজেডের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক মাখনুওন তাবাসসুম, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা ডাঃ একে এম শহীদ।
ডিএইচএমএস হোমিও চিকিৎসক কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি ডাঃ মোঃ শফিউল বাশারের সভাপতিত্বে ও অর্থ সম্পাদক মোঃ রহিম উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায়ে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা সদস্য মোঃ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, উপদেষ্টা সদস্য ডাঃ মোঃ নবাব হোসেন পাঠান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ মোঃ শামীম সিকদার, সহ- সভাপতি ডাঃ সানু দাশ, ডাঃ এন,এ দাশ অসীম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান, চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ডাঃ মোঃ আমির হোসাইন, প্রবীণ হোমিও চিকিৎসক ক্বারী মাওঃ আব্দুল বারী,আর এস সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ সহদেব চন্দ্রশীল, দপ্তর সম্পাদক ফারজানা ইয়াসমিন, ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান,ডাঃ সুজন দাশ সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কোম্পানির প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা পেশাগত দায়িত্ব ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেশার স্বার্থে ৫ দফা দাবি সম্বলিত একটি প্রস্তাব পত্র ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক মহোদয় কে হস্তান্তর এবং ঔষধ প্রশাসনে বিগত সময়ে ভালো অবদান রাখায় একটি সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে।
প্রধান অতিথি মাখনুওন তাবাসসুম বলেন, হোমিও চিকিৎসা সেবায় অবশ্যই অবশ্যই ড্রাগ লাইসেন্স সহ অন্যান্য ডিসপ্লে কৃত ঔষধ প্রশাসধনের ক্ষেত্রে সরকারের যাবতীয় কাগজপত্র বৈধ থাকতে হবে। ঔষধের ব্যাপারে চূড়ান্ত বক্তব্য এই যে, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবায় ফার্মেসীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও বেআইনি কোন প্রকার পণ্য থাকলে জরিমানা সহ জেল - মামলা এবং আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দেন।
পরিশেষে তিনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও ঔষধের ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রাপ্তির সহজীকরণের আশ্বাস দিয়েছেন।
চেয়ারম্যান: জুয়েল খন্দকার
অফিসঃ ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ই-মেইলঃ songbadtv1@gmail.com
স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ টিভি