কুমিল্লার দেবিদ্বারে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় এক কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রী ও তাঁর এক সাক্ষীকে মারধরের পর জোরপূর্বক স্বীকারোক্তিমূলক ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোখসানা আক্তার বিথী (২৬) বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, দেবিদ্বার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় আলমপুর এলাকার বাসিন্দা ও কুয়েত প্রবাসী সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রোখসানা আক্তার বিথী এবং স্থানীয় এক সাক্ষী দীর্ঘদিন ধরে এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারিদের কর্মকাণ্ডে বাঁধা দিয়ে আসছিলেন। বিবাদীরা হলেন—দেবিদ্বারের বড় আলমপুর এলাকার মোঃ রাসেল (৩২), মোঃ শফিক (৩২) এবং মোঃ নান্টু (৩০)।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিবাদীরা এলাকায় চরম উশৃঙ্খল, ঝগড়াটে এবং মাদক বিক্রির মাধ্যমে যুবসমাজ ধ্বংসের সাথে জড়িত। স্থানীয়ভাবে তাঁদের বাঁধা দিলে তারা মারাত্মক ক্ষতির ষড়যন্ত্র করতে থাকে।
এরই জের ধরে গত ২১ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১১:০০ ঘটিকায় বিবাদীরা কৌশলে সাক্ষী রিপন মিয়াকে (পিতা: মোমেন মিয়া) বড় আলমপুরস্থ ১ নম্বর বিবাদীর বসতঘরে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে বেধড়ক মারধর ও প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিতে বাধ্য করা হয়। বিবাদীদের শেখানো কথামতো—‘তিনি নিজে মাদক কারবারের সাথে জড়িত’—এমন মিথ্যা জবানবন্দি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মাদক কারবারের বিরোধিতা করলে ওই ধারণকৃত ভিডিও এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভুক্তভোগী গৃহবধূর ছবি ব্যবহার করে আপত্তিকর ও ভূয়া তথ্য ছড়ানোর ভয় দেখানো হচ্ছে। ইতোমধ্যেই বেশ কিছু ফেক আইডি থেকে তাঁর ছবি দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে বলে ভুক্তভোগী দাবি করেন।
বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং আত্মীয়-স্বজনের পরামর্শে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগ হাতে পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চেয়ারম্যান: জুয়েল খন্দকার
অফিসঃ ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, ৫ম তলা, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ই-মেইলঃ songbadtv1@gmail.com
স্বত্ব © ২০২৬ সংবাদ টিভি