• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি স্মরণে হাদল বড় বিল সৈকতে পানশী নৌকা বাইচ-২০২৬; সিজন-৪’ অনুষ্ঠিত কমলনগরে রাতের আঁধারে হাজিরহাট বাজারের মডেল মসজিদের জমি দখল- ৯৯৯-এ বলেও মিলেনি কোন প্রতিকার বুড়িচংয়ে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, বাবা-মাকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে মাননীয় ভূমি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ: ব্রাহ্মণপাড়ায় বার বার অভিযোগেও বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ ড্রেজার! ৩৯ নং ওয়ার্ডের কয়েকটি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন ইসরাফিল খসরু কুমিল্লায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যা: ৭ দিনের রিমান্ডে ২ যুবক পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা সজাগ পুলিশ:কুমিল্লায় চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি দাউদকান্দিতে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, পরোয়ানাভুক্ত আরও ২ ব্রাহ্মণপাড়ার ১৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী হাসান ডাকাত চান্দিনা থেকে গ্রেপ্তার চান্দিনায় গৃহবধূর মৃত্যু: স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক

বাংলাদেশ–মালদ্বীপের মধ্যে মৎস্য, কৃষি ও নীল অর্থনীতি সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

মোঃ আল আমিন, নিজস্ব প্রতিবেদক । / ৬২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

মালদ্বীপের বিশ্বমানের টুনা শিল্পে বাংলাদেশের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে মৎস্য আহরণ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রপ্তানির নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন।

মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের মৎস্য, কৃষি ও মহাসাগরীয় সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী জনাব আহমেদ শিয়ামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। আজ রবিবার দুপুরে মালদ্বীপের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে মৎস্য, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং নীল অর্থনীতি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং জীবিকাভিত্তিক খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার অভিন্ন অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

বৈঠকে মৎস্য খাত বিশেষ গুরুত্ব পায়। হাইকমিশনার উল্লেখ করেন যে, টেকসই টুনা মৎস্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে মালদ্বীপ আন্তর্জাতিকভাবে একটি সফল উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, মালদ্বীপের বিশ্বখ্যাত টুনা শিল্প বাংলাদেশের জন্য নতুন বাণিজ্য, বিনিয়োগ, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মূল্য সংযোজন এবং রপ্তানি সহযোগিতার সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বৃহৎ ভোক্তা বাজার এবং ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক খাদ্য শিল্প দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্বের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

উভয় পক্ষ নীল অর্থনীতি ও সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। এ লক্ষ্যে প্রযুক্তিগত বিনিময়, যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

সমুদ্রভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, খাদ্য নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ একসঙ্গে কাজ করতে পারে বলে উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করেন।
হাইকমিশনার মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি জেলে, মৎস্যকর্মী এবং কৃষিশ্রমিকদের অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, তাঁদের কঠোর পরিশ্রম, পেশাদারিত্ব এবং নিষ্ঠা মালদ্বীপের অর্থনীতি ও খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।  এ খাতে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি করতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণের প্রস্তাবও তিনি উত্থাপন করেন।

মাননীয় মন্ত্রী বাংলাদেশের শ্রমশক্তির অবদানের প্রশংসা করে মৎস্য ও কৃষি খাতে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি ভবিষ্যৎ সহযোগিতামূলক উদ্যোগসমূহ বাস্তবায়নের জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি যৌথ সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাবও দেন।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ খাদ্য নিরাপত্তা, নীল অর্থনীতি, মৎস্য ও কৃষি খাতে বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category