ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে কঠোর হস্তে পালটা জবাব দিয়ে যাচ্ছে তেহরানও। এতে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। ধীরে ধীরে আরও পড়ুন
ইরানের সর্বশেষ পাল্টা হামলায় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে অন্তত ২৯ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি
ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের কালো মেঘ সরাতে এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে মুসলিম বিশ্বের চার প্রভাবশালী রাষ্ট্র। আগামী রোববার পাকিস্তানের বিশেষ আহ্বানে আয়োজিত এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকে অংশ
সাইবার বুলিং ও ইন্টারনেট আসক্তি রোধে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। শনিবার (২৮ মার্চ) থেকে দেশটিতে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে—যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শুক্রবার (২৭ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যের গুরুতর সামরিক ও রাজনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা করেছেন; যা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানের ওপর হামলার ফলে সৃষ্টি হয়েছে। রাশিয়ার
ইরান দাবি করেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের ওপর তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের খতম আল-আনবিয়া সদরদপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি বলেন, ‘ইরানি বাহিনী
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ইসরায়েলের তেল আবিবে ইরানের হামলার প্রভাব দেখা গেছে। আল জাজিরা যাচাই করা ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ক্লাস্টার মিউনিশন একটি ভবনে আঘাত হানছে, যার ফলে ব্যাপক বিস্ফোরণ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য স্থলযুদ্ধের জন্য ১০ লাখের বেশি সেনা প্রস্তুত রেখেছে ইরান। বৃহস্পতিবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজের বরাতে এ তথ্য জানায় আল জাজিরা। ইরানের একটি সামরিক সূত্র তাসনিম নিউজকে