ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের মুখে ইরান শুধু নিজের প্রতিরক্ষা নয়, বরং পুরো অঞ্চল ও মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য লড়াই করছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য আমাদের ভূখণ্ড ও পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এখন আপনারা এর ফলাফল দেখতে পাচ্ছেন—আমরা শক্তির ভাষায় কথা বলছি।’
জোলফাকারি আরও বলেন, শত্রুদের পরাজিত করার পথ হলো ‘প্রতিরোধ’। তার মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে শত্রুপক্ষের ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়বে এবং তাদের ঘাঁটিগুলো ধ্বংসের মুখে পড়বে।
তিনি ইসলামী বিপ্লবকে একটি শক্তিশালী ও গভীরভাবে প্রোথিত বৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এটি এখন অটল অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা শোকাহত, কিন্তু ক্লান্ত নই। আমাদের ক্ষতিই আমাদের শক্তিতে পরিণত হয়েছে।’
ইরানি এই সামরিক কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরান ও তার সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে এবং শত্রুদের কোনো ‘ষড়যন্ত্র’ সফল হতে দেওয়া হবে না।
তিনি দাবি করেন, প্রতিরোধের মাধ্যমেই শত্রুদের পরাজয়ের কৌশল আয়ত্ত করা হয়েছে এবং শক্তির ভারসাম্য ইতোমধ্যে বদলে গেছে।
জোলফাকারি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের সম্ভাবনা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত এই সংঘাত চলবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইরান ইসরাইল-অধিকৃত অঞ্চলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে পাল্টা আঘাত হানছে।