গতকাল শনিবার (২ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে চীন লাইয়ের এই সফরের কঠোর সমালোচনা করে। লাই চিং-তের সফরটি মূলত এপ্রিলের শেষের দিকে হওয়ার কথা থাকলেও সেশেলস, মরিশাস এবং মাদাগাস্কার আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হয়। এ ঘটনায় চীনের প্রভাব রয়েছে বলে অভিযোগ তোলে তাইওয়ান।
যদিও সফর বাতিল না করে শেষ পর্যন্ত এসওয়াতিনি সরকারের একটি বিমানে করেই গন্তব্যে পৌঁছান লাই। পূর্বে সোয়াজিল্যান্ড নামে পরিচিত দেশটি তাইপের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখা হাতে গোনা কয়েকটি দেশের একটি এবং আফ্রিকায় তাইওয়ানের একমাত্র মিত্র।
চীনের তাইওয়ানবিষয়ক দপ্তর লাইকে ‘সমস্যা সৃষ্টিকারী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করে, একটি ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর তিনি জনগণকে ছেড়ে বিদেশে গেছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘লাই চিং-তে-র জঘন্য কর্মকাণ্ড, যা একটি ইঁদুরের রাস্তা পার হওয়ার মতো, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উপহাসের কারণ হবে।’







