• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
চান্দিনায় গৃহবধূর মৃত্যু: স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক কুমিল্লা লাকসামে ধানক্ষেত থেকে অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কমলাপুর রেলস্টেশনে ৩০০ অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একদিনে চার অভিযান, ভারতীয় পণ্য ও মাদকসহ গ্রেপ্তার-৩ ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ বুড়িচংয়ে ফসলি জমি দখলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে কৃষকদের মানববন্ধন লন্ডনে এমপি মনিরুল হক চৌধুরীকে যুক্তরাজ্য বিএনপির সংবর্ধনা ৩৯ নং ওয়ার্ডের আকমল আলী রোডস্থ সৎ সংঘের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শন ও শুভ উদ্বোধন ছাত্রত্ব নেই, তাও হোস্টেল দখলে ছাত্রদল নেতারা: সিট বাণিজ্যের অভিযোগ! কুমিল্লায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যার রহস্য উদঘাটন, ২ আসামি গ্রেফতার

মার্কিন হামলায় বুশেহর বিমানবন্দর অচল

অনলাইন ডেস্ক / ৬২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

ইরান সরকার জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক হামলার মুখে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৌশলগত বুশেহর বিমানবন্দরটি সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দেশটির সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি নিজে বুশেহর প্রদেশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত শহরটির বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন। বিমানবন্দরটির বর্তমান অবস্থাকে তিনি ‌‘কার্যত অচল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাজেরানি বলেন, আমরা জনগণের সেবার জন্য সম্প্রতি কেনা এবং সংস্কার করা একটি বিমানের ধ্বংসাবশেষ দেখেছি, যা সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে বিমানটির লেজের একটি ছোট অংশ ছাড়া আর কিছুই অক্ষত নেই।

ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দিয়ে তিনি আরও জানান, এই ভয়াবহ হামলার কারণে বিমানবন্দরটি পরিচালনা করার মতো অবস্থায় নেই। তবে হামলাটি ঠিক কখন চালানো হয়েছিল কিংবা বিমানবন্দরের অন্যান্য অবকাঠামোগুলোর ঠিক কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু বুশেহর নয়, মার্কিন এই হামলায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলের বিমানবন্দর ও স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশের ইরানশাহর, উত্তর ইরানের সেমনান এবং দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর আব্বাসের বিমানবন্দর। এ ছাড়া হামলা চলাকালে বুশেহর আবহাওয়া কেন্দ্রটিকেও সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।

বেসামরিক ও জনগুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা তুলে ধরে ফাতেমেহ মোহাজেরানি বলেন, সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে শুরু করে মাছ ধরার নৌকা এবং পর্যটন ব্যবসাও এই সংঘাতের মারাত্মক প্রভাবের বাইরে নয়।

তার দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, হামলায় ১২টি সেতু, দুটি সুড়ঙ্গ, বন্দর আব্বাসের প্রধান রেলস্টেশন এবং দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া এই সংঘাতে ৩৫০ জন সরকারি কর্মচারী নিহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।  উল্লেখ্য, গত ১১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ১৩ দিনের তীব্র উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধের ঘোষণা আসায় গত শুক্রবার থেকে এই অঞ্চলে তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তার ঠিক পরপরই সরকারের পক্ষ থেকে এই ক্ষয়ক্ষতির চিত্র প্রকাশ করা হলো।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) ভাষ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতের সময় মার্কিন বাহিনী ইরানের অভ্যন্তরে সামরিক অবকাঠামো, উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, নৌ সম্পদ এবং বিভিন্ন রসদ সরবরাহ কেন্দ্র লক্ষ্য করে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। অন্যদিকে তেহরানও এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আরব দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।  সূত্র- আনাদুলু


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category