ফুটবলপাগল শহরের কথা উঠলে বুয়েন্স আয়ার্স ও রোজারিওর নাম বাদ দেওয়া যায় না। সেন্ট্রাল বনাম নিউয়েলসের ম্যাচ ঘিরে যে অনন্য আবেগ দেখা যায়, বুধবার আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ম্যাচেও ঠিক তেমনই আরও পড়ুন
১৯৩০ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে ফিফা বিশ্বকাপ বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের এক মঞ্চে নিয়ে এসেছে। ফুটবলের এই মহাযজ্ঞে নিজেদের দক্ষতা ও গোল করার ক্ষমতা দিয়ে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন অনেক তারকা।
আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই মাঠের ফুটবল ছাপিয়ে ইতিহাসের দায় শোধের লড়াই, যেখানে ফকল্যান্ড যুদ্ধের সমান্তরালে অদৃশ্য এক ছায়া হয়ে জড়িয়ে আছেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের সেই মহাকাব্যিক লড়াইয়ের পর
সাবেক ইংল্যান্ড ডিফেন্ডার গ্যারি স্টিভেনস ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের স্মৃতি শেয়ার করেছেন—যে ম্যাচ তাকে এনে দিয়েছিল এক অপ্রত্যাশিত খ্যাতি। ১৯৮০-এর দশকের ব্রিটিশ ফুটবলের অন্যতম সেরা ফুলব্যাক
২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বুধবার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। প্রতিপক্ষের নাম, টুর্নামেন্টের এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ কিংবা লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার কারণেই শুধু ম্যাচটি ঐতিহাসিক নয়। আরও
বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল, তার ওপর প্রতিপক্ষ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড—সব মিলিয়ে ম্যাচটি ঘিরে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই দলের মুখোমুখি লড়াই মানেই ইতিহাস, আবেগ আর প্রতিদ্বন্দ্বিতার এক অনন্য অধ্যায়।
বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ফিফার নেতৃত্ব ক্রমেই কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর এক মার্কিন ফুটবলারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে মিসর
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের মুখোমুখি হওয়ার আগে আর্লিং হালান্ডের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে রাজি নন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। তার মতে, দুজনই স্ট্রাইকার হলেও তাদের খেলার ধরন একেবারেই আলাদা। একইসঙ্গে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে