• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

আমি ব্যবসায়ী সূত্রে আওয়ামী লীগের সাথে ছিলাম, কিন্তু আমি খাটি বিএনপি-রিপন

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি / / ৬২ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নিজেকে ‘খাঁটি বিএনপি’ দাবি করে আখতারুজ্জামান রিপন এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি দাবি করেছেন, “আমি ব্যবসায়ী সূত্রে আওয়ামী লীগের সাথে ছিলাম, কিন্তু আমি খাঁটি বিএনপি।” তবে তার এই দাবি মানতে নারাজ স্থানীয় বিএনপির নেতা কর্মীরা।

আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সখ্যতা ও সুবিধাবাদের অভিযোগ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রিপন নিজেকে বিএনপির কর্মী হিসেবে দাবি করলেও বিগত দিনে আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও প্রভাবশালী নেতাদের সাথে একাধিক সভা সমাবেশ করেছেন এবং রয়েছে তার একাধিক ছবি ফুটেজ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ছবি এবং ভিডিও গুলোই প্রমাণ করে যে তিনি আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। এলাকার মানুষের ভাষ্যমতে, তিনি মূলত সুবিধাবাদী; যিনি পরিস্থিতি অনুযায়ী ‘এক নৌকার মাঝি আবার কখনো অন্য নৌকার মাঝি’ হয়ে মাঝখানে ছাতা ধরে থাকেন।।

নির্বাচনী পরাজয় ও জনবিচ্ছিন্নতা জানা গেছে, এর আগে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাচনে  আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে  ‘আনারস’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন তিনি।

তিনি জানান আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে জয় যুক্ত হলেও আমাকে কুমিল্লা সাবেক আওয়ামী লীগের এমপি হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার জোরপূর্বক আমার জয় ছিনিয়ে নিয়ে আমাকে পরাজিত করেন ও আব্দুল হাই বাবলুকে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন।

এই দিকে স্থানীয় একাধিক ভোটার জানান, নির্বাচনে পরাজয়ের পর তাকে আর এলাকায় সেভাবে দেখা যায়নি। এমনকি এলাকায় আসলেও সাধারণ মানুষের সাথে তিনি কোনো যোগাযোগ রাখতেন না। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও এলাকায় তার কোনো দৃশ্যমান কার্যক্রম চোখে পড়েনি। তিনি ‘নাগরিক সোসাইটি’র ব্যানারে বিভিন্ন সামাজিক কাজ করার দাবি করলেও, স্থানীয়রা একে কেবল ‘কথার ফুলঝুরি’ হিসেবেই আখ্যা দিচ্ছেন।

নতুন করে ফেরার চেষ্টা স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বিএনপির মনিরুল চৌধুরী নির্বাচিত হওয়ার পর রিপন পুনরায় এলাকায় ফিরে এসেছেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি নতুন করে এলাকায় জনসমর্থন বা গণজোয়ার সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ভোটাররা তাকে বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের ‘দোসর’ হিসেবেই দেখছেন এবং তাকে বর্জন করাই শ্রেয় বলে মনে করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category