• শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাদা কাপড়ে দাগ লাগলে খবর আছে কিন্তু: রংপুরে শফিকুর রহমান আবাহনীকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস হরমুজ প্রণালি দ্রুত খোলার আহ্বান চীনের বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের অমীমাংসিত ধাঁধার ‘রহস্য’ উন্মোচিত! নারায়ণগঞ্জের ‌‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে, দেখতে আসছেন মার্কিন প্রতিনিধি ফতুল্লায় নিজ অফিসে ডিশ ব্যবসায়ী নাছিরকে ছুরি*কা/ঘা/তে হ/ত্যা ‘ভারতের একতরফা অভিন্ন নদীর পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক’ ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে সরস্বতীর মন্দির ঘোষণা হরমুজে নিরাপত্তার ‘রক্ষক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ইরান: আরাগচি তাইওয়ান দখলে নেওয়ার চেষ্টা করলে ভয়াবহ ভুল করবে চীন: রুবিও

মহাকবি ফেরদৌসীর ‘শাহনামা’র বীরত্বকেই বাস্তবে প্রমাণ করেছে ইরান

অনলাইন ডেস্ক/ / ১৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা খামেনি দেশটির সাংস্কৃতিক ও শিল্প অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গের প্রতি মহাকবি ফেরদৌসীর মতো জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি  ৪০ দিনব্যাপী মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন রুখে দিয়ে জাতির সাম্প্রতিক ‘পবিত্র প্রতিরক্ষা’র ইতিহাসকে অমর করে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শুক্রবার মহাকবি ‘হাকিম আবুল কাসেম ফেরদৌসী স্মরণ’ এবং ‘ফার্সি ভাষা সংরক্ষণ দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ফার্সি ভাষা বিশ্বজুড়ে ইরানের ইসলামি সভ্যতাকে প্রচার করার এক বিশাল মাধ্যম। বাণীতে তিনি বর্তমান প্রজন্মের বীরত্বকে শাহনামার পৌরাণিক মহাকাব্যের সাথে তুলনা করেন।

উল্লেখ্য, ‘তৃতীয় পবিত্র প্রতিরক্ষা’ বলতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শেষ হওয়া ইরানের ওপর ৪০ দিনব্যাপী মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনকে বোঝানো হয়েছে।

ফেরদৌসীর স্মরণে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা খামেনির বাণীটি নিচে তুলে ধরা হলো:

‘ফার্সি ভাষা কেবল কথা বলা বা লেখার মাধ্যম নয়, বরং এটি ইরানিদের আত্মপরিচয়ের সীমানা এবং চিন্তা ও জ্ঞানের মেলবন্ধন। বিশ্বজুড়ে ইসলামি ইরানের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও সভ্যতা প্রচারের অন্যতম বড় শক্তি হলো ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য। আমাদের প্রজ্ঞাবান ও শহীদ নেতার (পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ নেতা) নির্দেশনা অনুযায়ী ফার্সি ভাষাকে শক্তিশালী করাই হলো ‘ইরানি-ইসলামি সভ্যতা’র ক্ষমতার আলোকবর্তিকা।

তৃতীয় পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধে ইরানের প্রিয় জাতি পূর্বের দুটি চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মতোই প্রমাণ করেছে যে, ফেরদৌসীর মহাকাব্যের বীরত্বগাথা আসলে তাদের বাস্তব জীবন ও বীরত্বপূর্ণ চরিত্রের প্রতিফলন। শাহনামার সেই পবিত্র ও মানবিক মূল্যবোধ এবং কুরআনি চেতনা ইরানের সকল জাতিসত্তা ও শ্রেণির মানুষকে তাদের পরিচয়, স্বকীয়তা ও স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ করেছে। এটি আধুনিক যুগের ‘জহহাক’ (অত্যাচারী শাসক)-রূপী আগ্রাসনকারীদের বিরুদ্ধে লড়তে তাদের এক সুতোয় গেঁথেছে।

দেশরক্ষা ও বিজয়ের এই মহাকাব্যিক উপস্থিতি সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের মানুষের ওপর এক বিশাল দায়িত্ব অর্পণ করেছে। তাদের উচিত ফেরদৌসীর মতো জেগে ওঠা এবং জনগণের বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় একটি শৈল্পিক জাগরণ তৈরি করা। তাদের মেধা, কলম এবং ভাষাকে শিল্পের সাথে মিশিয়ে জাতির এই মহান উত্থানের ইতিহাসকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে হবে।

অন্যদিকে, শয়তানি শক্তিগুলোর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ ও গৌরবোজ্জ্বল বিজয় দেশবাসীকে তাদের সভ্যতার স্বাধীনতা রক্ষা এবং ‘মার্কিন জীবনধারা’ ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন মোকাবিলায় আরও বেশি প্রস্তুত করেছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে, সাংস্কৃতিক কর্মীদের উদ্ভাবনী শক্তির মাধ্যমে ভাষা ও ডিসকোর্সের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। এর ফলে আমাদের শিশু, কিশোর ও যুবকরা চূড়ান্ত বিজয়ের পথে আরও দৃঢ়তার সাথে এগিয়ে যাবে।

সূত্র: পার্সটুডে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category