এমপিওভুক্তির জটিল শর্তের কারণে ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও অনেক কারিগরি শিক্ষক এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবার আবেদন বাতিল হওয়া ওই শিক্ষকদের জন্য শর্ত শিথিল করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে আবেদন বাতিল হওয়া শিক্ষকদের কপাল খুলতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, কারিগরি অধিদপ্তরের ৫০তম এমপিও কমিটির সভায় ১৪২টি এমপিও আবেদনের ফাইল বাতিল করা হয়। কাম্য শিক্ষার্থী, কাম্য পাসের ও কাম্য পরীক্ষার্থী না থাকায় এসব ফাইল বাতিল করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ফলাফল বিবেচনা করায় এসব আবেদন বাদ দেয় কর্তৃপক্ষ।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন যোগদানকৃত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এ শর্ত আরোপ না করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এ শর্ত শিথিল করে বাতিল হওয়া এমপিও আবেদনগুলো পুনরায় এমপিওভুক্ত করা হতে পারে।
এ বিষয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পিআইইউ) প্রকৌ. মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘বাতিলকৃত এমপিও আবেদনগুলো এমপিওভুক্তির বিষয়টি আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। এমপিও কমিটির সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।’
গত রবিবার দুই দাবিতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষকরা। পরে বিষয়গুলো নিয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলীর সঙ্গে আলোচনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। সভায় শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন মহাপরিচালক।
মানববন্ধনে শিক্ষকরা জানান, ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একই প্যানেল থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষকদের মধ্যে বেতন কাঠামো ও এমপিও প্রদানে চরম বৈষম্য বিদ্যমান। মাউশি অধিভুক্ত শিক্ষকরা সময়মতো এমপিও সুবিধা পেলেও কারিগরি শিক্ষকদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে এমপিও বঞ্চিত অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।