চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং ১৬ বছরের গুম-খুনের দায়ে পলাতক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতরা।
আজ শনিবার (০৪ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই জাতীয় সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।
শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন, আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবিও উঠে আসে ভুক্তভোগীদের কণ্ঠে। ২ বছরেও জুলাই হত্যায় জড়িত সবার বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
তারা অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার শহীদ পরিবারের পাশে যথাযথভাবে দাঁড়ায়নি। সারাদেশে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ সংরক্ষণ ও শহীদদের কবরে নামফলক যুক্ত করার দাবিও উঠে সম্মেলনে।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের নিয়ে আয়োজন করা হয় জাতীয় সম্মেলনের। এতে অংশ নেন জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাইদের ভাই আবু হোসেন, শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মাসহ অসংখ্য শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতরা।
শহীদ পরিবারের সদস্যদের আবেগঘন বক্তব্যে ভারী হয়ে উঠে সম্মেলন। সবার কণ্ঠে একটাই দাবি, জুলাই হত্যায় জড়িত সবার দ্রুত বিচার।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান জানান, জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে সরকার।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি মামলায় বিচারের রায় হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব মামলার বিচার ত্বরান্বিত করা হবে। দল হিসেবে আওয়ামী লীগকেও বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
যারা জুলাই চেতনার কথা বলে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চাইছে তাদের পরিণতি ভালো হবে না বলেও মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।