শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে নগরীর হালিশহরের নয়াবাজার এলাকায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে শুক্রবার তার মরদেহ দেশে পৌঁছায় এবং পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পর শনিবার সকালে চট্টগ্রামে আনা হয়।
গত ২ মার্চ ইরান থেকে নিক্ষেপ করা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বাহরাইনে পড়লে তারেক আলীর মৃত্যু হয়। ওই একই ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশি আহত হন।
নিহত তারেক আলীর বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নে। তবে পরিবার নিয়ে তিনি নগরীর হালিশহরে বসবাস করতেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন। প্রায় দেড় বছর আগে তিনি শেষবারের মতো দেশে এসেছিলেন। তারেক আলী দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে বাহরাইনে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছিলেন। দেশটির রাজধানী মানামার কাছে ‘দ্রাইডক’ নামের একটি শিপইয়ার্ডে কর্মরত ছিলেন তিনি।







