এনবিআর রোববার (৭ জুন) জানায়, পূর্বে নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কিছু তথ্য ‘ফ্রিজ’ বা অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, ফলে পরবর্তীতে ওই ব্যালেন্সের বিপরীতে কোনো ধরনের সমন্বয় করা যাবে না।
সংস্থাটি জানিয়েছে, করদাতাদের পূর্বে দাখিল করা মাসিক ভ্যাট রিটার্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণের লক্ষ্যে ই-ভ্যাট ব্যবস্থায় ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি বিশেষ সাব-মডিউল চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে পুরোনো রিটার্নগুলো অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
এনবিআরের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এখনো বিপুল সংখ্যক হার্ডকপি রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এবং আগামী জুলাই থেকে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হওয়ার প্রেক্ষিতে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।







