ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস সমিতির জেলা শাখার চলমান কমিটি বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন সংগঠনটির একদল সদস্য ও ওষুধ ব্যবসায়ীরা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে ডা. ইহসানুল ইসলামের বিরুদ্ধে সমিতির নাম, ব্যানার ও সিল ব্যবহার করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, ব্যবসায়ীদের বিভ্রান্ত করা, বিভিন্ন আশ্বাস ও প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ চাওয়া ও নেওয়া এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ করা হয়।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ডা. ইহসানুল ইসলাম কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন পরিচালকের সঙ্গে অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রথমে ছয় মাস এবং পরে আরও ছয় মাস মেয়াদি কমিটি নিয়ে আসেন। ওই কমিটিতে সভাপতি ও সিনিয়র সভাপতি ছাড়া অন্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও পরবর্তীতে কয়েকজন সদস্য জবাব চেয়ে পত্র দিয়ে কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে আরও অভিযোগ করা হয়, ডা. ইহসানুল ইসলামের দৃশ্যমান কোনো ওষুধের দোকান না থাকা সত্ত্বেও তিনি জেলার বিভিন্ন ওষুধ ব্যবসায়ীর কাছে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি বিভ্রান্তিকর লিফলেট বিতরণ, ঘনঘন মাইকিং এবং অর্থ সংগ্রহের অভিযোগও করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে সমিতির অফিসের তালা ভেঙে দখল ও ভাড়া দেওয়ার অভিযোগও তুলে ধরে ডা. ইহসানুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন চলমান কমিটির সব কার্যক্রম বাতিলের দাবি জানানো হয়।
অভিযোগকারীরা এসব কর্মকাণ্ডের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উল্লেখ্য যে বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সদস্য পদ পদবী দেওয়ার নামে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করে ড্রাগ লাইসেন্সবিহীন পল্লী চিকিৎসক, হোমিও চিকিৎসক, কবিরাজ ও অপচিকিৎসায় যুক্তদের ধরে এনে নানা অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে ডাঃ ইহসানের নেতৃত্বে থাকা ভূয়া কমিটি। অবিলম্বে উক্ত ভূয়া কমিটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় প্রকৃত ঔষধ ব্যবসায়ীগণ।