• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়ন ও বাসস্থান নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দেবিদ্বারে এনসিপির কমিটি নিয়ে বিতর্ক: আন্দোলনের বিপক্ষে থাকা ছাত্রলীগ নেতা শুভ সিনিয়র যুগ্ম সচিব কুমিল্লায় রাসায়নিক দিয়ে কলা পাকানোর দায়ে জরিমানা গাজায় খাদ্যসংকটে ভুগছে ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি: ডাব্লিওএফপি সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: রায়ের কপি পেলে ব্রিফ করবে সরকার ইউপি নির্বাচনে সেনা মোতায়েন নয়, পরিস্থিতি জটিল হলে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন: ইসি মাছউদ জাপানে চাকরির সুযোগ বাংলাদেশিদের, চুক্তি সই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ দমনে ‘লাল হিট জনতা পার্টি’ প্রবাসীদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির আবেদন যেভাবে করবেন এসএসসিতে দুই বোর্ডের বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ

গাজায় খাদ্যসংকটে ভুগছে ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি: ডাব্লিওএফপি

অনলাইন ডেস্ক / ২০ Time View
Update : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

ভয়াবহ খাদ্যসংকটে ভুগছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

বার্তা সংস্থা ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, গাজায় খাদ্যসংকটের মধ্যে সহায়তার পরিমাণ কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি তীব্র খাদ্যসংকটে রয়েছেন।

এদিকে খাদ্যসহায়তার রেশনও আগের তুলনায় অর্ধেক করা হয়েছে। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় কম খাবার পাচ্ছেন সংকটাপন্ন পরিবারগুলো।

গাজায় চলমান পরিস্থিতি তুলে ধরে ডব্লিউএফপির দেশীয় পরিচালক শন হিউজ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘মানুষ নিরাপদ নয়। প্রতিদিনই বিমান হামলা চলছে। মানুষকে এখনো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বাস্তুচ্যুত হতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় কেউই স্থায়ীভাবে বসবাস করার মতো বাড়ি পাচ্ছেন না। মানবিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ।’

ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, তহবিলের ঘাটতির কারণে তাদের খাদ্যসহায়তা কার্যক্রম এক-তৃতীয়াংশ কমাতে হচ্ছে। এর ফলে গাজার প্রায় ৫ লাখ মানুষ সহায়তা হারাবেন।

যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির কারণে বহু পরিবার আগে থেকেই খাদ্য, আশ্রয় ও অন্যান্য জরুরি সেবার সংকটে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সহায়তা কমে যাওয়ায় তাদের খাদ্য জোগাড় আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

গাজায় মানবিক সংকটের মধ্যেই ইসরাইল উপত্যকাটিতে বাণিজ্যিক পণ্য প্রবেশ বন্ধ রেখেছে। এতে খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির তথ্য বলছে, গাজার মানুষের জন্য নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত জরুরি। পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ না বাড়লে সেখানকার খাদ্যসংকট আরও গভীর হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category