• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
রাজশাহীতে ৩৭০০ ট্যাপেন্টাডল ও ১.৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বিশ্ববাজারে তেল পরিবহনের ভাড়া বেড়েছে ১৭ ডলার ‘ধর্ম যায় না’ বলে ২২ উদাহরণ দিলেন রুমিন ফারহানা ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসতে রাজি পুতিন ডিআইজির বাড়িতে ডিজে পার্টি, আটক ৮৪ জনের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নিল প্রশাসন বন্ধ মিলগুলো উৎপাদনমুখী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী ‘বাদাম বেচি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলাইছি, আর কি লাগে’ দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হলো: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সাজেকে গোলাগুলির ঘটনা, নিরাপদে গন্তব্যে ফিরেছেন পর্যটকরা

৭ রোগে আক্রান্তরা পাবেন এক লাখ টাকা, আবেদন করবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক / ৩৭ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

সাতটি রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবার স্বার্থে এককালীন এক লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে এই রোগগুলোর চিকিৎসায় চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রতিটি রোগীকে এই আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হবে। চলমান অর্থবছরে সর্বমোট ৬৫ হাজার রোগীকে এই সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সমাজসেবা অধিদপ্তর এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। রোগ সাতটি হলো- ক্যান্সার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, প্যারালাইসিস, হৃদরোগ, লিউকেমিয়া ও থ্যালাসেমিয়া।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সমাজসেবা অধিদপ্তর এই উদ্যোগটি বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে।

নির্দিষ্ট রোগগুলো হলো—
ক্যান্সার
কিডনি রোগ
লিভার সিরোসিস
প্যারালাইসিস
হৃদ্‌রোগ
লিউকেমিয়া
থ্যালাসেমিয়া

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যাধিতে ভোগা অসচ্ছল ও দরিদ্র রোগীদের নিরাময় ক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের স্বজনদের ওপর থেকে আর্থিক বোঝা লাঘব করাই এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য। এই সাহায্যের জন্য রোগী নিজে কিংবা তার পরিবারের কোনো সদস্য, অভিভাবক অথবা আইনগত প্রতিনিধি অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়ে ৬৫০ কোটি টাকা
অধিদপ্তরের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এ কর্মসূচিতে বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ওই বছর সহায়তা পেয়েছিলেন ৫৬১ জন। পরবর্তী বছরগুলোতে কর্মসূচির বরাদ্দ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ কর্মসূচিতে বরাদ্দ ছিল ৩০০ কোটি টাকা করে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৬৫০ কোটি টাকা করা হয়েছে। যা ৬৫ হাজার রোগীদের এ সহায়তা প্রদান করা হবে।

অগ্রাধিকার পাবেন যারা

অনুদান পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। রোগী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অসচ্ছল ও গরিব ব্যক্তিদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে, যেখানে তাদের পরিবারের আয়-ব্যয়ের হিসাবও আমলে নেওয়া হবে। পাশাপাশি যাদের জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা প্রয়োজন এবং জীবন সংকটাপন্ন, তাদের অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হবে। এছাড়া প্রতিবন্ধী, শিশু, নারী এবং বয়স্ক রোগীরাও এই বিশেষ অগ্রাধিকারের আওতায় থাকবেন।

কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য বা ভুয়া সনদপত্র উপস্থাপন করলে, সরকার থেকে কোনো আর্থিক সহায়তা নিয়ে থাকলে কিংবা তালিকাভুক্তির পরও সাহায্য গ্রহণে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট পর্ষদ তার আবেদন বাতিল করতে পারবে সংশ্লিষ্ট কমিটি। একই অর্থবছরে কোনো ব্যক্তি একবার এবং সম্পূর্ণ জীবনকালে সর্বসাকুল্যে তিনবার এই আর্থিক সাহায্য গ্রহণ করতে পারবেন।

আবেদন করতে লাগবে যেসব কাগজপত্র

আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে রোগীকে তার নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং শিশুর ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদের প্রতিলিপি দাখিল করতে হবে। এ ছাড়া বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে প্রার্থী, অভিভাবক অথবা আইনি প্রতিনিধির এনআইডির কপি, এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, মনোনীত ব্যক্তির (নমিনির) বিস্তারিত বিবরণ, রোগী কিংবা তাঁর অভিভাবকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টসংক্রান্ত তথ্য এবং চেকবইয়ের কভার পাতার ফটোকপি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

এ ছাড়া চিকিৎসকের সর্বশেষ ব্যবস্থাপত্রের ফটোকপি এবং রোগ শনাক্তকরণ-সংক্রান্ত পরীক্ষার রিপোর্টের সত্যায়িত কপিও আবেদনের সঙ্গে দিতে হবে। ক্যান্সারের ক্ষেত্রে টিস্যু ডায়াগনস্টিক, হিস্টোপ্যাথলজি, সাইটোপ্যাথলজি, বোন ম্যারো বা বায়োপসি রিপোর্টসহ প্রযোজ্য পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category