উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে যুক্ত হয়। এরপর জবাবে ইসরায়েল লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় এবং দক্ষিণ লেবাননে একটি বাফার জোনের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এর আগে ২০২৪ সালের সংঘাতে হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বের বড় অংশকেও হত্যা করেছিল ইসরায়েল।
অন্যদিকে ইয়েমেনভিত্তিক ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরাও এর আগে একাধিকবার ইসরায়েলের ওপর হামলা চালিয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র টানা ষষ্ঠ রাতের মতো ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর দেশটির হামলার পরিধি বাড়িয়ে সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। ওয়াশিংটনের দাবি, এর মাধ্যমে তেহরানকে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর চাপ কমাতে বাধ্য করার চেষ্টা চলছে।
এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর দিকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এবং আরও বড় ধরনের হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, আগের রাতের হামলায় ওমান উপসাগরের চাবাহার বন্দরে অবস্থিত একটি নজরদারি টাওয়ার ধ্বংস করা হয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দীর্ঘদিন ধরে ওই টাওয়ার ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ পর্যবেক্ষণ ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করত।
তাদের ভাষ্য, টাওয়ারটি ধ্বংসের ফলে আইআরজিসির বেসামরিক জাহাজে হামলা সমন্বয়ের সক্ষমতা দুর্বল হয়েছে এবং আঞ্চলিক জলসীমায় নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সেন্টকম হামলার ভিডিও ফুটেজও প্রকাশ করেছে।







