• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
রাজশাহীতে ৩৭০০ ট্যাপেন্টাডল ও ১.৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বিশ্ববাজারে তেল পরিবহনের ভাড়া বেড়েছে ১৭ ডলার ‘ধর্ম যায় না’ বলে ২২ উদাহরণ দিলেন রুমিন ফারহানা ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসতে রাজি পুতিন ডিআইজির বাড়িতে ডিজে পার্টি, আটক ৮৪ জনের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নিল প্রশাসন বন্ধ মিলগুলো উৎপাদনমুখী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী ‘বাদাম বেচি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলাইছি, আর কি লাগে’ দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হলো: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সাজেকে গোলাগুলির ঘটনা, নিরাপদে গন্তব্যে ফিরেছেন পর্যটকরা

আজ রাতে আকাশে উল্কাবৃষ্টি, বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে যেভাবে

Reporter Name / ২৮ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

রাতের আকাশে দেখা মিলতে পারে মহাজাগতিক আলোর ঝলকানি। হ্যালির ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধূলিকণা ও ধ্বংসাবশেষের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর অতিক্রমের ফলে সৃষ্টি হওয়া ওরিওনিড উল্কাবৃষ্টির চূড়ান্ত সময় চলছে। আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশ থেকেও এই উল্কাবৃষ্টি দেখার সুযোগ রয়েছে।

মহাকাশবিষয়ক সংবাদমাধ্যম স্পেস ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, ওরিওনিড উল্কাবৃষ্টির সময় অনুকূল পরিবেশে প্রতি ঘণ্টায় ১০ থেকে ২০টি পর্যন্ত উল্কা দেখা যেতে পারে। তবে চাঁদের উজ্জ্বল আলোর কারণে অপেক্ষাকৃত অনুজ্জ্বল উল্কাগুলো দেখতে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে।

ওরিওনিড উল্কাবৃষ্টির উৎপত্তি হ্যালির ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধূলিকণা ও ক্ষুদ্র পাথুরে কণা থেকে। পৃথিবী প্রতিবছর অক্টোবর মাসে এই ধ্বংসাবশেষের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে। তখন কণাগুলো প্রচণ্ড গতিতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এবং বায়ুর সঙ্গে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে জ্বলে ওঠে। ফলে রাতের আকাশে তারার মতো আলোর রেখা দেখা যায়, যা সাধারণভাবে ‘খসে পড়া তারা’ নামে পরিচিত।

ওরিয়ন নক্ষত্রমণ্ডলের দিক থেকে উল্কাগুলো ছুটে আসছে বলে এই উল্কাবৃষ্টির নাম রাখা হয়েছে ওরিওনিড। হ্যালির ধূমকেতু প্রায় ৭৬ বছর পরপর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। ২০৬১ সালে ধূমকেতুটিকে আবার পৃথিবী থেকে দেখা যাওয়ার কথা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২১ অক্টোবর মধ্যরাতের পর থেকে ২২ অক্টোবর ভোর পর্যন্ত উল্কাবৃষ্টি দেখার ভালো সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ভোরের আগের কয়েক ঘণ্টা আকাশ তুলনামূলক অন্ধকার থাকলে উল্কাগুলো স্পষ্ট দেখা যেতে পারে।

তবে চাঁদের আলো বেশি থাকলে অপেক্ষাকৃত ক্ষীণ উল্কা চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। তাই আকাশ পরিষ্কার থাকা এবং কৃত্রিম আলোর প্রভাব কম থাকা উল্কাবৃষ্টি উপভোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ থেকে যেভাবে দেখবেন

ওরিওনিড উল্কাবৃষ্টি দেখতে টেলিস্কোপ বা দূরবিনের প্রয়োজন নেই। খালি চোখেই এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করা সম্ভব। এ জন্য কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে—

– শহরের উজ্জ্বল আলো থেকে দূরে খোলা জায়গা বেছে নিন।
– আকাশ পরিষ্কার আছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।
– চোখকে অন্ধকারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় দিন।
– আকাশের একটি নির্দিষ্ট বিন্দুর দিকে না তাকিয়ে যতটা সম্ভব বিস্তৃত আকাশ পর্যবেক্ষণ করুন।
– উল্কা দেখার জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন।

হ্যালির ধূমকেতুর রেখে যাওয়া প্রাচীন কণাগুলো ঘণ্টায় প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ মাইল বেগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে সংঘর্ষে সৃষ্ট তীব্র উত্তাপেই রাতের আকাশে উজ্জ্বল আলোর রেখা তৈরি হয়।

প্রকৃতির এই মহাজাগতিক প্রদর্শনী দেখতে তাই প্রয়োজন শুধু পরিষ্কার আকাশ, অন্ধকার পরিবেশ আর কিছুটা ধৈর্য।

সূত্র: স্পেস ডটকম/এপি

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category