• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
মাছের খাদ্যে ন্যানো বিপ্লবের পথে যবিপ্রবি, দ্বিতীয় পেটেন্ট পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবি অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ ব্রাহ্মণপাড়ায় ডাকাতি মামলার তিন আসামি গ্রেপ্তার, স্বর্ণালংকার ও টাকা উদ্ধার গোমতীর চরে সবজি চাষে ১০ নারী কৃষাণীকে এক লাখ টাকা জেলা প্রশাসনের অনুদান দাউদকান্দিতে পুলিশের অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত ১২ কুমিল্লায় সাঁড়াশি অভিযানে এক রাতে আটক ২৯৯, ১৫৯ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা বুড়িচংয়ের বারেশ্বরে কৃষিজমির মাটি-বালু লুটের মহোৎসব, অভিযোগের তির ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি দিকে দেবিদ্বারে জট খুলল ছাত্রদল নিয়ে রহস্যজনক পোস্টের : নতুন কমিটি গঠনের ঘোষণা জেলা সদস্য সচিবের চৌদ্দগ্রামে বিল্লাল হত্যা: তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের পেছনে ছিনতাই-ভিডিও ভাইরাল, আটক ৪ কুমিল্লায় নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরে মিলল ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ

চৌদ্দগ্রামে বিল্লাল হত্যা: তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ

মো. শাহ আলম শফি, কুমিল্লা দক্ষিণ প্রতিনিধি / ৩৩ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পারিবারিক চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে বিল্লাল হোসেন (২৫) হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ও বাদীপক্ষকে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লিটন দেওয়ানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন নিহতের বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হামিদ। সম্প্রতি কুমিল্লার একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে নিহতের স্ত্রী রাশেদাকে সঙ্গে নিয়ে লিখিত বক্তব্যে আব্দুল হামিদ জানান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের তাঁদের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী জয়নাল আবেদীন গংদের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২৪ জুলাই বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আব্দুল হামিদের ছেলে বিল্লাল হোসেন ও জলিল গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ আগস্ট কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারে বিল্লাল হোসেনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় প্রথমে আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে কুমিল্লার আদালতে একটি মামলা করেন। পরে বিল্লালের মৃত্যুর পর চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় জয়নাল আবেদীন, তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম, দুই ছেলে মোজাম্মেল হোসেন ও মোশাররফ হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়।

মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই লিটন দেওয়ান। সংবাদ সম্মেলনে বাদী ও নিহতের স্ত্রী অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ জয়নাল আবেদীন ও মোজাম্মেল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়। তবে আসামিদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে তদন্তে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে তাঁদের সন্দেহ। আসামিদের অবস্থান ও মামলার বিভিন্ন তথ্য জানাতে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁরা কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন।

তাঁদের দাবি, হত্যাকাণ্ডের প্রায় তিন মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এতে নিহতের পরিবার হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এরই মধ্যে আসামিপক্ষের লোকজন মুঠোফোনে মামলা তুলে নিতে তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পরিবারের সদস্যরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের যথাযথ অনুসন্ধান এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

উল্লেখ্য, নিহত বিল্লাল হোসেন স্ত্রী ছাড়াও ছয় বছর বয়সী আবির হোসেন ও তিন বছর বয়সী আল আমীন হোসেন নামে দুই শিশুসন্তান রেখে গেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category