• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের পৃথক অভিযান, ইয়াবা উদ্ধার সহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার ৫ মালদ্বীপে ফেনীর তিন বিএনপি নেতাকে সংবর্ধনা দিয়েছে মালদ্বীপস্থ ফেনী জেলা বি এন পির নেতৃবৃন্দ যুব নেতা ভিপি শাহীনের শুভ জন্মদিন আজ ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার, গাঁজা-স্কাফ সিরাপ উদ্ধার চৌদ্দগ্রামে বিজিবির অভিযানে ৬৩ লাখ টাকার ভারতীয় বাজি জব্দ মাছের খাদ্যে ন্যানো বিপ্লবের পথে যবিপ্রবি, দ্বিতীয় পেটেন্ট পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবি অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ ব্রাহ্মণপাড়ায় ডাকাতি মামলার তিন আসামি গ্রেপ্তার, স্বর্ণালংকার ও টাকা উদ্ধার গোমতীর চরে সবজি চাষে ১০ নারী কৃষাণীকে এক লাখ টাকা জেলা প্রশাসনের অনুদান দাউদকান্দিতে পুলিশের অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত ১২ কুমিল্লায় সাঁড়াশি অভিযানে এক রাতে আটক ২৯৯, ১৫৯ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

মাছের খাদ্যে ন্যানো বিপ্লবের পথে যবিপ্রবি, দ্বিতীয় পেটেন্ট পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবি অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: পার্শা বিনতে শরীফ / ৩৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

এবার অতি ক্ষুদ্র খনিজ এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ “ন্যানো ফিশ ফিড” তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য পেটেন্ট পেলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং NAME Lab এর পরিচালক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান।

গত ১ নভেম্বর রোজ রবিবার পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর(DPDT), বাংলাদেশ থেকে প্রদত্ত একটি Notice of Grant-এর মাধ্যমে পেটেন্ট সিরিয়াল নম্বর ১০০৭১৮৮ এ “A Formulation Process of Smart Nano-Micro Size Fish Feed with Vitamins” (ভিটামিনসহ স্মার্ট ন্যানো-মাইক্রো আকারের মাছের খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়া) শিরোনামে পেটেন্ট অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

মাছের খাদ্যে আয়রন, জিংক, কপার ও সেলেনিয়ামের মতো খনিজ এবং ভিটামিন অতি ক্ষুদ্র আকারে মিশিয়ে দেওয়ার পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য এই পেটেন্ট পেয়েছেন বলে জানান অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান। তার এই পদ্ধতি আবিষ্কারের ফলে ছোট আকারে পুষ্টি উপাদান মাছের শরীরে সহজে কাজে লাগবে বলে আশা করেন তিনি।

এই আবিষ্কারের কার্যকারিতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে গবেষক অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান বলেন, “মাছ খাদ্যের সব পুষ্টি কাজে লাগাতে পারে না। যে অংশ কাজে লাগে না, তা পুকুরের পানিতে জমে বর্জ্য হয়। অন্যদিকে মাছ চাষের সবচেয়ে বড় খরচই খাদ্য। তাই একই খাদ্য থেকে মাছ বেশি পুষ্টি পেলে চাষির লাভ হতে পারে এবং পুকুরের পানি কম দূষিত হতে পারে।
দেশের মাছের খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ও নিউট্রিয়েন্ট বিদেশ থেকে, বিশেষ করে ভারত থেকে আমদানি করতে হয়। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। ন্যানো প্রযুক্তিনির্ভর এ ফর্মুলেশন ব্যবহার করা গেলে অল্প পরিমাণ উপাদান দিয়েই অধিক কার্যকারিতা পাওয়া সম্ভব হবে। এতে খাদ্যের অপচয় কমবে, পরিবেশের ওপর চাপ হ্রাস পাবে এবং মাছের গুণগত মান উন্নত করার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, “এ প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য কৃষিজমিতে সার প্রয়োগের মতো আলাদা কোনো ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে না। প্রচলিত ফিড মিলগুলোতে মাছের খাদ্য তৈরির সময় প্রয়োজনীয় উপাদানের সঙ্গে এটি মিশিয়ে দেওয়া যাবে। ফলে নারিশ, কাজী ফার্মস কিংবা আফিলের মতো মাছের খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে সহজেই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারবে। ইতিমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ প্রযুক্তির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।”

উল্লেখ্য এর আগে গত অক্টোবর মাসে অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান ন্যানো ইউরিয়া আবিষ্কারের জন্য প্রথমবার পেটেন্ট পেয়েছিলেন এবং “ন্যানো ফিশ ফিড” তার দ্বিতীয় পেটেন্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category