৩৪ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় বলেন, পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত খারাপ। তাঁর ভাষায়, ‘অবস্থা খুবই বাজে ছিল। তবে খারাপের মধ্যেও এটাকেই হয়তো সবচেয়ে ভালো ফল বলা যায়। বলটি সরাসরি আমার মুখে এসে লাগে। যদি কয়েক ইঞ্চি এদিক-সেদিক হতো কিংবা আমি মাথা না ঘোরাতাম, তাহলে হয়তো আজ এখানে বসে কথা বলতে পারতাম না।’
এই আঘাতে তাঁর গালের হাড় সম্পূর্ণ ভেঙে যায়। পরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তা ঠিক করা হয়। নিজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় আমি অনেক ভাগ্যবান। গালের হাড়ের নিচের অংশ পুরো এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। বড় ধরনের মুখমণ্ডলের অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত সুস্থভাবে ফিরে আসতে পেরেছি, এজন্য কৃতজ্ঞ।’
এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণে তাঁর স্বাভাবিক খেলায় ফেরার সময়সূচি প্রায় এক মাস পিছিয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি পুনর্বাসনের শেষ পর্যায়ে রয়েছেন। আগামী জুন মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের দীর্ঘ সময়ের খেলায় অংশ নেবে ইংল্যান্ড দল। সেই সিরিজের প্রস্তুতির জন্য মে মাসে ডারহামের হয়ে ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় দুটি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করছেন তিনি।







