• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
চান্দিনায় গৃহবধূর মৃত্যু: স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক কুমিল্লা লাকসামে ধানক্ষেত থেকে অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কমলাপুর রেলস্টেশনে ৩০০ অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একদিনে চার অভিযান, ভারতীয় পণ্য ও মাদকসহ গ্রেপ্তার-৩ ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ বুড়িচংয়ে ফসলি জমি দখলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে কৃষকদের মানববন্ধন লন্ডনে এমপি মনিরুল হক চৌধুরীকে যুক্তরাজ্য বিএনপির সংবর্ধনা ৩৯ নং ওয়ার্ডের আকমল আলী রোডস্থ সৎ সংঘের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শন ও শুভ উদ্বোধন ছাত্রত্ব নেই, তাও হোস্টেল দখলে ছাত্রদল নেতারা: সিট বাণিজ্যের অভিযোগ! কুমিল্লায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যার রহস্য উদঘাটন, ২ আসামি গ্রেফতার

স্বচ্ছতা বাড়াতে খাতা মূল্যায়নে প্রযুক্তিনির্ভর পদক্ষেপ যবিপ্রবির: ‘কোডিং পদ্ধতি’

পার্শা বিনতে শরীফ, যবিপ্রবি প্রতিনিধি / ৪৭ Time View
Update : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা আরও নিশ্চিত করতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) চালু হতে যাচ্ছে ‘কোডিং পদ্ধতি’। নতুন এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীর রোল নম্বর বা পরিচয় গোপন রেখে বিশেষ সংকেত বা কোডের মাধ্যমে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৬৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং পদ্ধতি’ চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, “শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অনেক সময় পরীক্ষক ও শিক্ষার্থীর পূর্বপরিচয় বা ব্যক্তিগত ধারণার কারণে মূল্যায়নে প্রভাব পড়ার একটি পরোক্ষ সম্ভাবনা থেকে যায়। কোডিং পদ্ধতি চালুর ফলে এই ধরনের সকল জটিলতা বা পক্ষপাতের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, একজন শিক্ষার্থীর যোগ্যতার প্রকৃত প্রতিফলন ঘটা উচিত তার অর্জিত নম্বরে। এই কোডিং ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে পরীক্ষক কোনো শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বর না জেনেই বস্তুনিষ্ঠভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে পারবেন। এতে করে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন পাবে এবং একাডেমিক প্রক্রিয়ার ওপর তাদের আস্থা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। আসন্ন সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষাগুলো থেকেই পর্যায়ক্রমে এ কোডিং পদ্ধতি কার্যকর করার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন শিক্ষাঙ্গন হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা ধাপে ধাপে আরও নানা প্রযুক্তিবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক শৃঙ্খলা ও খাতা মূল্যায়নের গুণগত মান উন্নত করতে এই কোডিং পদ্ধতি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো পরীক্ষা ব্যবস্থাকে যেকোনো ধরনের বিতর্ক বা সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখা, যাতে কোনো শিক্ষার্থী কোনোভাবেই বৈষম্যের শিকার হয়েছে বলে মনে না করে। একটি শিক্ষার্থীবান্ধব, আধুনিক ও জবাবদিহিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category