• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
তাহসিফের বাবার বক্তব্যে মিললো চাঞ্চল্যকর তথ্য ডিভি লটারি নিয়ে এলো নতুন সিদ্ধান্ত জাপানের সঙ্গে বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড, হানিফের অর্ধেক সম্পত্তি জুলাই যোদ্ধাদের দেওয়ার নির্দেশ একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে থাইল্যান্ডকে দুই প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ ইসরায়েলের নির্বাচনে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, কত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল? ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার প্রকল্প উদ্বোধন করলেন জ্বালানিমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণের সময় বাড়ল, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পাদনের তাগিদ ব্যবসায়ীদের পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু

ডিভি লটারি নিয়ে এলো নতুন সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক / ২৩ Time View
Update : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে মার্কিন ফেডারেল আপিল আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নবম মার্কিন সার্কিট কোর্ট অব অ্যাপিলসের তিন বিচারকের একটি প্যানেল সরকারের জরুরি আবেদনের ভিত্তিতে ওই স্থগিতাদেশ জারি করে।

এর ফলে আপিল আদালতে বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ডিভি লটারি সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারবে ট্রাম্প প্রশাসন। খবর নিউজউইক
এর আগে ডিভি লটারি পুনরায় চালুর আদেশ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি নিম্ন আদালত।

এদিকে ডিভি লটারি নিয়ে আইনি লড়াইরত রেড নামক সংস্থার প্রধান কার্টিস মরিসন মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজউইক-কে বলেন, ‘ডিভি প্রোগ্রাম পরিচালনায় পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্যর্থতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রেড ইগল দ্রুতই অন্যান্য আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, ‘আমরা লটারির নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করতে পররাষ্ট্র দপ্তরের এই ব্যর্থতাকে সমর্থন করছি না।

তবে রেড ইগল এই মামলায় তাদের স্পবক্ষে যথেষ্ট যুক্তি-প্রমাণ তুলে ধরতে পারেনি। আর যেহেতু তারা এই আইনের সরাসরি সুবিধাভোগী বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ নয়, তাই এ বিষয়ে তাদের মামলা করার আইনি অধিকার নেই।’
উল্লেখ্য, যেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের হার তুলনামূলক কম, সেসব দেশের নাগরিকদের জন্য ডাইভারসিটি ভিসা প্রোগ্রামের আওতায় প্রতি বছর সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার ভিসা বরাদ্দ থাকে।

সাধারণভাবে ‘গ্রিন কার্ড লটারি’ নামে পরিচিত এই ডাইভারসিটি ভিসা প্রোগ্রামটি ১৯৮০-এর দশকে মার্কিন কংগ্রেসে গৃহীত উদ্যোগের ফল।

মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থায় যেসব দেশের পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব ছিল না, সেসব দেশের মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করাই ছিল এর লক্ষ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডাব্লিউ বুশ ১৯৯০ সালের ২৯ নভেম্বর ‘ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট অব ১৯৯০’-এ স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই স্থায়ী কর্মসূচিটি চালু করেন। ঐতিহাসিকভাবে যেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কম অভিবাসী গেছে, সেসব দেশ থেকে অভিবাসন উৎসাহিত করাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category