• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
মাছের খাদ্যে ন্যানো বিপ্লবের পথে যবিপ্রবি, দ্বিতীয় পেটেন্ট পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবি অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ ব্রাহ্মণপাড়ায় ডাকাতি মামলার তিন আসামি গ্রেপ্তার, স্বর্ণালংকার ও টাকা উদ্ধার গোমতীর চরে সবজি চাষে ১০ নারী কৃষাণীকে এক লাখ টাকা জেলা প্রশাসনের অনুদান দাউদকান্দিতে পুলিশের অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত ১২ কুমিল্লায় সাঁড়াশি অভিযানে এক রাতে আটক ২৯৯, ১৫৯ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা বুড়িচংয়ের বারেশ্বরে কৃষিজমির মাটি-বালু লুটের মহোৎসব, অভিযোগের তির ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি দিকে দেবিদ্বারে জট খুলল ছাত্রদল নিয়ে রহস্যজনক পোস্টের : নতুন কমিটি গঠনের ঘোষণা জেলা সদস্য সচিবের চৌদ্দগ্রামে বিল্লাল হত্যা: তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের পেছনে ছিনতাই-ভিডিও ভাইরাল, আটক ৪ কুমিল্লায় নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরে মিলল ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ

বুড়িচংয়ের বারেশ্বরে কৃষিজমির মাটি-বালু লুটের মহোৎসব, অভিযোগের তির ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি দিকে

এ.কে পলাশ কুমিল্লা প্রতিনিধি।। / ২৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বারেশ্বর পূর্বপাড়ায় ফসলি জমিতে অবৈধ বোরিং ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ড যুবদলে সভাপতি মহিউদ্দিন ময়নুল ও পূর্ণমতি মধ্যপাড়ার জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে। তাঁদের নেতৃত্বে একাধিক স্থানে কৃষিজমি থেকে বালু উত্তোলন চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে আবাদি জমি ধসে পড়া, মাটির উর্বরতা নষ্ট হওয়া এবং কৃষিজমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রকাশ্যে ২টি স্পটে ড্রেজার চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।
সরেজমিনে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসব এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চিত্র পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা এবং প্রচলিত আইন উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কৃষিজমি ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থাও হুমকির মুখে পড়ছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, একটি জমিতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হলে আশপাশের ১০ থেকে ১৫ বিঘা জমি ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। কোথাও কোথাও জমির মাটি সরে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে একসময়ের উর্বর ফসলি জমি ধীরে ধীরে বালুচরে পরিণত হচ্ছে। এতে কৃষকরা তাঁদের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ ফসল উৎপাদন নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩-এর ৭ক ধারার পরিপন্থী। আইনের ১৫ ধারায় অপরাধের জন্য কারাদণ্ড, অর্থদণ্ডসহ ড্রেজার ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম জব্দের বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাবলিহা আনবার জানান, কৃষিজমি থেকে বালু উত্তোলন বেআইনি এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তবে স্থানীয়দের দাবি, ২টি স্পটে প্রকাশ্যে ড্রেজার চলার পরও পরিস্থিতির দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়নি। ফলে প্রশাসনের অভিযানের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, অবিলম্বে বারেশ্বরসহ উপজেলার সব অবৈধ ড্রেজার স্পটে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে ড্রেজার মেশিন জব্দ, বালু উত্তোলন বন্ধ এবং অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
কৃষিজমি রক্ষায় জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা। তাঁদের প্রশ্ন -ফসলি জমি ধ্বংসের এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে থাকার পরও বন্ধ হচ্ছে না কেন অবৈধ বালু উত্তোলন?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category