পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, বিসিক শিল্পনগরীর পরিত্যক্ত ডেকো ফুড কোম্পানির মালামাল নিলামে বিক্রির আয়োজন করা হয়। সেই মালামাল কেনার প্রতিযোগিতা থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত। বুধল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন ও সুহিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাছির খন্দকারের মধ্যে তর্কাতর্কির এক পার্যায়ে সংঘর্ষ বাধে।
এতে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর এবং ধানের গোলায় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের কারণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে আহতদের স্থানীয় জেলা সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ও পুড়ে যাওয়া ধানের পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে।
সদর থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র্যাব ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসন উভয়পক্ষকে শান্ত রাখতে এবং ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে ওসি জানান।