• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
রামবা’র ৩১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুমন আহম্মেদ গ্রেফতার এবার তিন সাগর-উপসাগর অবরোধের হুঁশিয়ারি ইরানের রাজধানীতে বহুতল ভবনের আগুন ২ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে যুদ্ধের সুযোগে প্রতি ঘণ্টায় ৩ কোটি ডলার আয়! স্থায়ীভাবে হরমুজ প্রণালী খুলে দিয়েছি, এতে চীন খুবই খুশি হবে: ট্রাম্প দুই সপ্তাহে এলো ১৬১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দক্ষিণ হালিশহরে বিএইচ নলেজ ফেয়ার স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন মার্কিন অবরোধকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ দেখিয়ে হরমুজ পার হলো ইরানি সুপারট্যাঙ্কার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সরকারি অনুদানের আবেদন শুরু, শেষ সময় ১৬ এপ্রিল

আ.লীগের সময়ে খাল খননের নামে অর্থ লুটপাট হয়েছে: শিল্প উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক / / / ৮১ Time View
Update : শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে চট্টগ্রামে খাল খননের নামে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং বিপুল অর্থ লুটপাট হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম নগরের এক কিলোমিটার এলাকায় চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য খাল-নালা খনন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, শহরের ভেতরে যে খাল-নালা, সেগুলোর দিকে নজর দেওয়া হয়নি। অর্থনৈতিক অবস্থা পুরো খারাপ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা সেখান থেকে উত্তরণের চেষ্টা করছি।’ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। এ বছর চট্টগ্রাম নগরের ২১টি খাল পরিষ্কারের জন্য সরকার ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানান তিনি।

সকালে চট্টগ্রাম নগরের এক কিলোমিটার এলাকায় বারইপাড়া খালের খননকাজ পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা। বহদ্দারহাটের বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত নতুন এই খালটি খনন করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। নগরের নাসিরাবাদ, মুরাদপুর, শুলকবহর, বহদ্দারহাট, বারইপাড়া ও বাকলিয়া এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করতে ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে নতুন এই খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন হয় ২০১৪ সালের ২৪ জুন।

নগরের বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত ২ দশমিক ৯৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ৬৫ ফুট প্রস্থের এ খাল খনন প্রকল্পের ব্যয় প্রথমে ধরা হয় ২৮৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অন্তত পাঁচ দফা মেয়াদ বাড়িয়েও এর কাজ শেষ করতে পারেনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। বর্তমানে প্রকল্প ব্যয় দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩৬২ কোটি টাকা। মেয়াদ শেষ হয়েছে গত বছর জুনে। আরেক দফা মেয়াদ বাড়াতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, বিগত বছরগুলোয় নগরের তিন সেবা সংস্থা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বয়হীনতার কারণে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার কবলে পড়তে হয়েছে। তবে আগামী দিনে জলাবদ্ধতা নিরসনে সেবা সংস্থাগুলো সমন্বয় করে কাজ করবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category