এদিকে শ্রমিকদের সঙ্গে এক গণমাধ্যম কথা বলেছে। তারা জানিয়েছে, লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ম্যুরালটি ভাঙছেন তারা। যদিও এই বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দারকে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।
এদিকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অতিক্রমের আহ্বায়ক সাংবাদিক হেলাল কবির বলেন, ‘ম্যুরালটি ভাঙা হয়েছে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে। ঢেকে রাখারও নির্দেশ ছিল তার। অন্য কেউ এ নিয়ে আপত্তি জানায়নি।’
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শহরের বিডিআর রোডে লালমনিরহাট শিশু পার্কসংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্মারক মঞ্চের ম্যুরালে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ, স্বাধীনতা যুদ্ধ, মুজিবনগর সরকার গঠন, স্বাধীন ভূখণ্ডে নব রবির উদয়, ৭১-এর গণহত্যা, বিজয়ে উচ্ছ্বসিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ, পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ, জাতীয় পতাকা হাতে উল্লসিত জনতা ইত্যাদি। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে গত বুধবার জেলা প্রশাসন সেই ম্যুরালটি কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখেছিল। এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় টিআইবির অনুপ্রেরণায় গঠিত লালমনিরহাট সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক)।







