দীর্ঘদিন ধরে তৃতীয় টার্মিনাল চালু না হওয়ায় সেখানে স্থাপিত সরঞ্জামগুলোর মেয়াদ বা রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এডিসির সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এডিসি জানিয়েছে, তারা নিয়মিতভাবে সরঞ্জামগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করছে এবং ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তা চালিয়ে যেতে পারবে। এমনকি মৌখিকভাবে তারা ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত সহায়তা দেওয়ার কথাও জানিয়েছে। যদি জাপানি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তাহলে তাদের সঙ্গে এডিসি সমন্বয় করে কাজ করবে।
তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থায় জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাশাপাশি একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হবে বলে জানান বেবিচক চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, মূলত প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি এবং সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) অডিট না হওয়া প্রসঙ্গে মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, সর্বশেষ অডিট সম্পন্ন হয়েছে ২০১৮ সালে। ২০২৪ সালে তাদের আসার কথা ছিল, তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে তারা আসেনি। চলতি বছরের অক্টোবরে একটি অডিট টিম আসার কথা রয়েছে। তবে মূল অডিট ২০২৭ সালের মাঝামাঝি থেকে শেষের মধ্যে হবে বলে তারা জানিয়েছে। অডিট দেরি হওয়ার পেছনে আরও কিছু বিষয় ছিল, যেগুলো এরই মধ্যে সমাধান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে এটিজেএফবির সভাপতি তানজিম আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক বাতেন বিপ্লবসহ এটিজেএফবি এবং বেবিচকের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।