নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলা পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের হামলায় ৫ এসএসসি পরীক্ষার্থীর আহত। রোববার(২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কল্যান্দী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি ওষুধ ফার্মেসির সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।
আহতরা হলো – মিনহাজ ১৬,মাসফি ১৬,আকাঈদ ১৬, রাফি ১৬ ও শহিদুল ১৬,” এ ঘটনা সময় এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুপুর আনুমানিক ১/৩০ মিনিট সময় পরীক্ষা শেষে মিনহাজ ও তার সহপাঠীরা অটো গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিল। এসময় কল্যান্দী এলাকায় পৌঁছালে, ইরফান, আরাফাত, ইব্রাহিম ও আব্দুর রহমানসহ ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র দল তাদের কে ঘিরে পথরোধ করে।
এ সময় হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র শাস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়, অভিযোগ রয়েছে, ইরফান মিনহাজকে হত্যার উদ্দেশ্য ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে ও গুরুতর জখম করে।
অন্যদিকে বাকি হামলাকারীরা লাঠি সোটা দিয়ে মাশফি, আকাঈদ,রাফি ও শহিদুল কে এলোপাতাড়ি মারধর করে আহত করে।
এসময় হামলাকারীরা মিনহাজের কাছ থেকে প্রায় ছয় আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ও নগদ ১০০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়, এছাড়া আহত সকল শিক্ষার্থীর কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র নিয়ে যাই বলে অভিযোগ করে জানিয়েছেন।
জানা গিয়েছে প্রায় দুই বছর আগে পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস ভিত্তিক ফুটবল খেলা কে কেন্দ্র করে মিনহাজ ও ইরফানের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বিষয়টি মীমাংসা করা হলেও সেই বিরোধের জের ধরেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়েছে।
এঘটনায় আহত মিনহাজের মা বিউটি বেগম বাদী হয়ে বুধবার বন্দর থানায় ইরফান আরাফাত আব্দুর রহমান ও ইব্রাহিম সহ ৮/১০ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
বন্দর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মাহবুব জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনা সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার অভিযান চলছে। এ নিয়ে এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।