• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
ব্রাহ্মণপাড়া পুলিশের পৃথক অভিযানে ১৬ জন গ্রেফতার, ভারতীয় বাজি ও ইজিবাইক উদ্ধার মানিকগঞ্জে কালিগঙ্গা নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবীতে মানববন্ধ মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করলেন কামাল্লা দরবার শরীফের পীর সাহেব মিরপুরে সাংবাদিক প্রান্ত পারভেজের বাসায় গুলিবর্ষণের সুষ্ঠ বিচারের দাবিতে মানববন্ধন দেবিদ্বারে বিয়ে ছাড়াই সন্তান জন্ম, নবজাতককে বাবার হাতে দিয়ে চলে গেলেন মা, পুলিশ হেফাজতে নবজাতকের বাবা সেনবাগ থানার ওসি প্রত্যাহার: অভিযোগ, পাল্টা বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা পতেঙ্গায় দুই টন চোরাই কয়লাসহ দুই বোট জব্দ ককটেল বিস্ফোরণে কাঁপল যাত্রাবাড়ী, রিকশাচালক আহত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম সার্ভিস চার্জ বিহীন ডিজিটাল অটোমেশন পেমেন্ট পদ্ধতি চালু করল যবিপ্রবি গফরগাঁওয়ে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও মারধর: থানায় অভিযোগ

তথ্য গোপন করে ঘুষ দিয়ে চাকরি; চাকুরী হওয়ার পর স্বামীকে তালাক

শিবলী সাদিক খান, নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩০ Time View
Update : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া আবদুল হেকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তথ্য গোপন করে। সাত লাখ টাকার বিনিময়ে অনিয়মের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সেই সাথে চাকুরী হওয়ার পর স্বামীকে তালাক দিয়েছে জেসমিন নামে এক কর্মচারীর। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভোক্তভোগী দুলাল নামে এক ব্যক্তি।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী দুলাল, পিতা-মৃত মজিদ মিয়া, পশ্চিম চরকরমশী গ্রামের বাসিন্দা। তার অভিযোগ, জেসমিন আক্তার নামে তার স্ত্রীকে বিদ্যালয়ে আয়া পদে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা লেনদেন করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গুজাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব, সাইফুল মেম্বারসহ সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে টাকা প্রদান এবং পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্কুল কমিটির সহযোগিতায় নকল কাগজপএ তৈরী করে জেসমিন আক্তারকে চাকরি দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জেসমিন আক্তার গত ১৯ মার্চ ২০২৩ তারিখে গুজাদিয়া আবদুল হেকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়া পদে যোগদান করেন। অভিযোগকারী দাবি করেন, চাকরিতে যোগদানের সময় বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা-সংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি কাগজপত্রের অসঙ্গতি রয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, জেসমিন আক্তারের বিভিন্ন কাগজপত্রে বয়সসংক্রান্ত তথ্যেও অসামঞ্জস্য রয়েছে। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় পরিচয়পত্র, বিবাহসংক্রান্ত কাগজপত্র ও বিদ্যালয়ে চাকরিতে যোগদানের তথ্য পর্যালোচনা করলে বয়সের ক্ষেত্রে ভিন্নতা পাওয়া যায়। ২ টি বিবাহের তারিখ অনুযায়ী চাকুরীতে যোগদানের সময় বয়স ৩৭ বছর। এ কারণে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বয়সসংক্রান্ত তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া অভিযোগপত্রে জেসমিন আক্তারের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগকারী কিশোরগঞ্জের আদালতে মামলা এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির কাছেও অভিযোগ করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন।

অভিযোগকারী দুলাল বলেন, “অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।” অভিযুক্ত জেসমিন প্রথমে ফোন ধরলেও পরে আর ফোন ধরেনি ও তথ্যের বিষয়ে কথা বলেনি। বিষয়টি নিয়ে গুজাদিয়া আ: হেকিম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন,সভাপতির নিকট অভিযোগ দিয়েছে আমি শুনেছি।
করিমগঞ্জ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, চাকুরী নিয়োগের সময় আমি এ উপজেলা ছিলাম না তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যম ছাড়া আমার কিছু করার নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category