দূর প্রবাসে থেকেও নিজের শেকড়, মাটি ও এলাকার মানুষের কথা ভুলে যাননি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ৩ নম্বর ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নবগ্রামের কৃতি সন্তান আবু আহমেদ সেলিম মিয়া। প্রবাসজীবনের ব্যস্ততার মাঝেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছেন।
আবু আহমেদ সেলিম মিয়া নবগ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও প্রবীণ ব্যক্তি মরহুম আবুল হোসেন হাশেম মিয়ার দ্বিতীয় সন্তান। বাবার কাছ থেকেই তিনি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার শিক্ষা পেয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সহযোগিতার মধ্যে রয়েছে অসহায় শিক্ষার্থীদের বই, খাতা ও কলম দিয়ে সহায়তা, অসুস্থ ও অসচ্ছল রোগীদের পাশে দাঁড়ানো, মসজিদ-মাদ্রাসার বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা, যুবসমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
স্থানীয়দের ভাষ্য, তাঁর বাবা মরহুম আবুল হোসেন হাশেম মিয়া এলাকায় একজন পরিচিত ও জনপ্রিয় সমাজসেবক হিসেবে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর রেখে যাওয়া মানবিক আদর্শকে ধারণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করছেন আবু আহমেদ সেলিম মিয়া।
তাঁর কাছে সমাজসেবা কেবল প্রচারের বিষয় নয়; বরং এটি মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং বাবার রেখে যাওয়া মানবিক আদর্শকে ধরে রাখার একটি প্রয়াস। প্রবাসে অবস্থান করেও নিজের এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা তাঁর সামাজিক দায়বদ্ধতারই বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, মানুষের পাশে থাকা, অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং মানবিক কাজের মাধ্যমে বাবার স্মৃতিকে ধরে রাখাই যেন তাঁর সামাজিক পথচলার অন্যতম লক্ষ্য।
দূরত্ব যতই হোক, শেকড়ের টান কখনো মুছে যায় না। আর মানুষের ভালোবাসা অর্জন হয় কথায় নয়—মানবিক কাজ ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে।