মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের মিউজিশিয়ানদের বলছি, নিজেদের গিটার নিয়ে, বাদ্যযন্ত্র নিয়ে আপনারা চলে আসুন। প্যালেস্টাইনের ফ্ল্যাগ উড়িয়ে আমরা দেশটির প্রতি সংহতি জানাব। নববর্ষে আমরা কেবল নিজেদের জন্য শুভ কামনা করব, এটা বড় স্বার্থপর বিষয় হয়ে যায়। প্যালেস্টাইনে গণহত্যার প্রতিবাদ জানাব বৈশাখের শোভাযাত্রায়। এটি আমাদের একটা কালচারাল স্টেটমেন্টও হবে।’
উপদেষ্টা ফারুকী আশা করছেন, মঙ্গল শোভাযাত্রায় পাঁচশতাধিক সংগীত শিল্পী অংশ নেবেন। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এবার বৈশাখের উৎসব অনেক বড়, দ্বিগুণ স্কেলে হবে। কোন জেলায় রাত কতটা পর্যন্ত আয়োজন চলবে, তা ঠিক করবেন ওই জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার।’
ঢাকায় চৈত্র সংক্রান্তির কনসার্ট রাত ৯টা পর্যন্ত চলতে পারে বলেও তিনি জানান।
‘ফ্যাসিবাদী শাসনের’ কারণে দেশে বিভাজন তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের মূল বিষয় আলোচিত হওয়া না হওয়া নয়। আমাদের মূল ফোকাস কালচারাল হিলিং। ফ্যাসিবাদের কারণে যে বিভাজন দেখা দিয়েছে তা দূর করতে হলে কালচারাল ইনক্লুসিভনেসে ফোকাস করব।’







