কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের দুর্নীতিবাজ স্টোর কিপার মমিনুলের পেটে হাসপাতালের কোটি কোটি টাকা ।কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যা হাসপাতালে যেন আলাদীনের চেরাগ খুঁজে পেয়েছেন দূনীতিবাজ স্টোর কিপার মমিনুল । বর্তমান তত্ত্বাবধায়কে নয় ছয় বুঝ দিয়ে দূনীতিবাজ স্টোর কিপার এই অর্থ বছরে হাসপাতালের জিনিসপত্র ঔষুধ,ভারী যন্ত্রপাতি কেনার নামে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে প্রায় কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। দূনীতিবাজ স্টোর কিপার মমিনুলের সঙ্গে আরও একজন আছেন তিনি হলেন ১২ বছর থেকেই এই হাসপাতালের ঠিকাদারী করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইলচুরির অপরাধে রাজশাহীর টোটন। এ দুই কুমির হাসপাতালের লক্ষ কোটি টাকার বেশি গ্রাস করেছেন বলে জানা গেছে।
ঠিকাদারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের দুর্নীতিবাজ স্টোর কিপার কমিশন বাণিজ্যর ভন্ড মমিনুল । স্টেশনারি ও হাসপাতালে রোগীর অক্সিজেন সিলিন্ডারে প্রতিমাসে দুই লক্ষ টাকা কমিশন নেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে যোগ দেন ডা.নুর নেওয়াজ আহমেদ। তারপরেই পুরোনো কায়দায় অর্থ আত্মসাৎ করার জন্য বিপুলসংখ্যক ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করেন হাসপাতালের স্টোর কিপার মমিনুল ।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের স্টোর কিপার মমিনুল হাসপাতালে একটি শক্তিশালী চক্র তৈরি করেন। মমিনুল রাতের অন্ধকারে স্টোর থেকে ঔষুধ বাহির করে দেন তার সংগ পঙ্গড়াসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে ঔষুধ বিক্রি করেন ।২৫-২৬ অর্থ বছরে হাসপাতালের নামে ভুয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে যেসব হরিলুট করছেন স্টোর কিপার সেগুলো হলো: ঔষুধ ভারী যন্ত্রপাতি মেডিকেল ইকুইপমেন্ট অটোমেশন যন্ত্র ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, স্টোর কিপারের লুটপাটের কারণে ধ্বংস হয়েছে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ,এই প্রতিষ্ঠান মূলত স্টোর কিপার মমিনুল আড়ালে রাজশাহী ঠিকাদারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন ।স্টোর কিপার সব ক্ষেত্রেই কমিশন বাণিজ্য করেন এবং ঠিকাদারের দালালি করেন।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সরকারী ঔষুধ যথাযথভাবে ওয়ার্ডে না দিয়ে জোর করে ওয়ার্ড ইনচার্জদের দিয়ে রেজিষ্ট্রারে খাতায় স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের স্টোর কিপার ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ নারী কেলেঙ্কারি টেন্ডারবাজ ভন্ড মমিনুলের বিরুদ্ধে। অনুসন্ধানে জানা যায় কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক স্টোর কিপারের দুর্নীতির সব বিষয় জানার পরও কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
হাসপাতালের অনেক স্টাফ জানান জানান, স্টোর কিপার মমিনুলের এর মাধ্যমে ঠিকাদারের কাছ থেকে মমিনুল বিপুল পরিমাণ অর্থ তথ্যবধায়কে দেন।
এদিকে, কুড়িগ্রাম জেলা সদর হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে স্মারকলিপি দিয়েছেন কুড়িগ্রাম সাধারন সচেতন নাগরিকরা ।