• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
রামবা’র ৩১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুমন আহম্মেদ গ্রেফতার এবার তিন সাগর-উপসাগর অবরোধের হুঁশিয়ারি ইরানের রাজধানীতে বহুতল ভবনের আগুন ২ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে যুদ্ধের সুযোগে প্রতি ঘণ্টায় ৩ কোটি ডলার আয়! স্থায়ীভাবে হরমুজ প্রণালী খুলে দিয়েছি, এতে চীন খুবই খুশি হবে: ট্রাম্প দুই সপ্তাহে এলো ১৬১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দক্ষিণ হালিশহরে বিএইচ নলেজ ফেয়ার স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন মার্কিন অবরোধকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ দেখিয়ে হরমুজ পার হলো ইরানি সুপারট্যাঙ্কার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সরকারি অনুদানের আবেদন শুরু, শেষ সময় ১৬ এপ্রিল

মেডিটেক হাসপাতালে ইন্টার-পাস অদক্ষ কর্মচারীর চিকিৎসা—শিশুর মাথায় সেলাইয়ের সময় নতুন ক্ষত তৈরির অভিযোগ

তৌহিদ ইসলাম, ঢাকা প্রতিনিধি / / ৪২ Time View
Update : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

রাজধানীর খিলক্ষেত নিকুঞ্জে অবস্থিত মেডিটেক জেনারেল হাসপাতালে এক দেড় বছর বয়সী শিশুর চিকিৎসা নিয়ে চাঞ্চল্যকর অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, প্রাথমিকভাবে একটি কাটা ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে গেলেও চিকিৎসা প্রক্রিয়ার সময় অদক্ষতার কারণে শিশুটির মাথায় নতুন করে আরও একটি গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়, ফলে সেলাইয়ের সংখ্যাও বেড়ে যায়।

ভুক্তভোগী মা জানান, বাসায় দুর্ঘটনাবশত বাথরুমে পড়ে শিশুটির মাথায় আঘাত লাগে। পরিবারের অন্য কেউ উপস্থিত না থাকায় এবং স্বামী অস্ত্রোপচারের পর বেড রেস্টে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে সন্ধ্যায় ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে শিশুটিকে মেডিটেক জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে সেলাই প্রয়োজন বলে জানিয়ে ইমার্জেন্সি বিভাগে পাঠান। তবে ইমার্জেন্সিতে চিকিৎসা শুরুর আগে চুল কাটার সময়ই ঘটে বিপত্তি। অভিযোগ অনুযায়ী, এক ইন্টার-পাস অদক্ষ কর্মচারী ব্লেড দিয়ে শিশুর মাথার চুল কাটতে গিয়ে বিদ্যমান ক্ষত আরও বড় করে ফেলে এবং নতুন করে আরেকটি কাটা তৈরি করে।

মা আরও অভিযোগ করেন, তিনি বারবার অনুরোধ করলেও ওই কর্মচারীকে থামানো হয়নি। পুরো প্রক্রিয়ার সময় নার্স শিশুটির হাত শক্ত করে ধরে রাখলেও মাথা স্থির রাখার জন্য কেউ দায়িত্ব নেয়নি। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক উপস্থিত থাকলেও তিনি চেয়ার থেকে উঠে সরাসরি কোনো তদারকি করেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরবর্তীতে চিকিৎসার সময় দেখা যায়, যেখানে প্রাথমিকভাবে ৭টি সেলাই দেওয়ার কথা ছিল, সেখানে নতুন সৃষ্ট গভীর ক্ষতের কারণে অতিরিক্ত আরও ২টি সেলাই দিতে হয়—মোট সেলাইয়ের সংখ্যা দাঁড়ায় ৯টিতে।

ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট কর্মচারী হাসপাতালের নথি অনুযায়ী একজন অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট, যার চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো প্রশিক্ষণ নেই। তাছাড়া যে ব্লেডটি ব্যবহার করা হয়েছে তা জীবাণুমুক্ত (স্টেরাইল) ছিল কিনা, সে বিষয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category