• রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাংবাদিক উপস্থিত হওয়াতে কুমিল্লা সালদা নদীর ক্যাম্প ৬০-বিজিবির চোরাই গরু ওপেন নিলাম স্থগিত চেয়ার থেকে ব্রিটিশ আমলের সাদা তোয়ালে সরিয়ে দিলেন থালাপতি বিজয় রাতেই যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড় নিজেদের নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে বিএনপি: জামায়াত আমির আমরা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাই না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি: পানিসম্পদ মন্ত্রী আইফেল টাওয়ারে উড়ল ফিলিস্তিনি পতাকা সরকারের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করছে মধ্যবর্তী নির্বাচন প্রয়োজন কিনা: নাহিদ ইসলাম ইরানে যৌথভাবে হামলা চালাতে সৌদি আরব ও কাতারকে রাজি করাতে পারেনি আমিরাত হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি ইরানের

চেয়ার থেকে ব্রিটিশ আমলের সাদা তোয়ালে সরিয়ে দিলেন থালাপতি বিজয়

অনলাইন ডেস্ক/ / ৩৩ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

তামিলনাড়ুর সচিবালয়ে বহু দশকের পরিচিত এক দৃশ্য বড় কর্তাদের চেয়ারের উপর সাদা তোয়ালে। ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা এই রেওয়াজকে অনেকে দেখেন ক্ষমতা ও আমলাতান্ত্রিক দূরত্বের প্রতীক হিসেবে। আর সেই প্রথাতেই এবার কার্যত ইতি টানলেন তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়।

গত ১০ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই নানা কারণে আলোচনায় রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হয়ে ওঠা বিজয়। এবার তার দপ্তরের একটি ছোট পরিবর্তন ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে তার চেয়ারে আর দেখা যাচ্ছে না সেই পরিচিত সাদা তোয়ালে।

ঘটনার সূত্রপাত সমাজকর্মী লিসিপ্রিয়া কাঞ্জুগামের একটি সামাজিকমাধ্যম পোস্টকে ঘিরে। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে তিনি দাবি করেন, সরকারি দপ্তরে চেয়ারে সাদা তোয়ালে পাতার সংস্কৃতি এখনও ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রতীক। শুধু মন্ত্রী নয়, বহু সরকারি আধিকারিকের ঘরেও এই রেওয়াজ চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের কাছে আবেদন জানান এই প্রথা বন্ধ করে সাধারণ মানুষের সামনে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।

চমকপ্রদ বিষয় হলো, ওই পোস্টের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের সাম্প্রতিক বৈঠকের ছবিতে দেখা যায়, বিজয়ের চেয়ারে আর কোনো সাদা তোয়ালে নেই। গত ১৪ মে সচিবালয়ে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে সেই বৈঠকের ছবি প্রকাশ করা হলে নেটমাধ্যমে শুরু হয় জোর চর্চা। শুক্রবার প্রকাশিত আরও কয়েকটি ছবিতেও একই দৃশ্য ধরা পড়ে। মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায়, উপরে নেই কোনো সাদা কাপড়। যদিও এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও নির্দেশিকা বা বিবৃতি প্রকাশ করেনি মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর।

তবে সমাজমাধ্যমে অনেকেই একে ‘প্রতীকী কিন্তু শক্তিশালী বার্তা’ হিসেবে দেখছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রশাসনিক দূরত্ব কমানোর ইঙ্গিত হিসেবেও বিষয়টি ব্যাখ্যা করছেন অনেকে। সমাজকর্মী লিসিপ্রিয়া কাঞ্জুগামও বিজয়কে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, জনগণের অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছেন। ভারতের বহু সরকারি অফিসে এখনো চেয়ারে সাদা তোয়ালে ব্যবহারের চল রয়েছে।

ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, ব্রিটিশ আমলে উচ্চপদস্থ অফিসারদের আরাম ও আলাদা মর্যাদা বোঝাতে এই রীতি চালু হয়েছিল। স্বাধীনতার পরও সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি প্রশাসনের বড় অংশ। এমন প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের এই পদক্ষেপকে শুধুই আসবাবের পরিবর্তন নয়, বরং প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে নতুন বার্তার সূচনা হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

সূত্র: জি নিউজহিন্দুস্তান টাইমস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category