• রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাংবাদিক উপস্থিত হওয়াতে কুমিল্লা সালদা নদীর ক্যাম্প ৬০-বিজিবির চোরাই গরু ওপেন নিলাম স্থগিত চেয়ার থেকে ব্রিটিশ আমলের সাদা তোয়ালে সরিয়ে দিলেন থালাপতি বিজয় রাতেই যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড় নিজেদের নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে বিএনপি: জামায়াত আমির আমরা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাই না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি: পানিসম্পদ মন্ত্রী আইফেল টাওয়ারে উড়ল ফিলিস্তিনি পতাকা সরকারের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করছে মধ্যবর্তী নির্বাচন প্রয়োজন কিনা: নাহিদ ইসলাম ইরানে যৌথভাবে হামলা চালাতে সৌদি আরব ও কাতারকে রাজি করাতে পারেনি আমিরাত হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি ইরানের

‘আমি জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি, এ ঘটনা কীভাবে ঘটে গেল বুঝতে পারিনি’

অনলাইন ডেস্ক/ / ২৯ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

শরীয়তপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে স্ত্রী আসমা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

শুক্রবার (১৫ মে) রাতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী হত্যার আসমার স্বীকারোক্তির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ওই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা গেছে, ‘আমার স্বামী ফোনে অন্য মেয়েদের সঙ্গে কথা বলত। এ বিষয়ে কিছু বলতে গেলে প্রায়ই আমাকে মারধর করতেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করি। আমি বুঝতে পারিনি এত জোরে আঘাত লাগবে। পরে চাকু দিয়ে লাশ টুকরো টুকরো করে কয়েক জায়গায় ফেলে দিই। আমি জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি। কিন্তু এ ঘটনা কীভাবে ঘটে গেল বুঝতে পারিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদার ও তার স্ত্রী আসমা আক্তার সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। প্রায় আট বছর আগে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। এটি উভয়েরই দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি চলছিল।

আসমা পুলিশের কাছে দাবি করেন, স্বামীর পরকীয়াসদৃশ আচরণ ও নিয়মিত নির্যাতনের কারণে তাদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ হতো। গত মঙ্গলবার রাতে তীব্র বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি স্বামীর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই জিয়া সরদারের মৃত্যু হয়।

হত্যার পর ঘটনাটি গোপন করতে মরদেহ ছুরি দিয়ে টুকরো টুকরো করা হয়। পরে দেহাংশ ড্রামে ভরে কয়েক দিন বাসায় রাখা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় দেহের বিভিন্ন অংশ বস্তাবন্দি করে কয়েকটি স্থানে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

পুলিশ জানায়, দেহাংশের কিছু অংশ শরীয়তপুর পৌর এলাকার পালং এলাকায় নেওয়া হলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসমা আক্তারকে আটক করে।

পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ খণ্ডিত করে গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘটনাটির সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category